যুক্তরাষ্ট্রে ডেটা সেন্টার নির্মাণে ভোটারদের বাধা, চাপে এআই শিল্প

  • প্রথম দর্পণ,আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৩২ দুপুর
  • ১১৭১৫ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg

৪১টি ভোটাভুটির প্রায় সব কটিতেই নির্মাণ সীমিত বা প্রত্যাখ্যানের পক্ষে রায় • বিদ্যুৎ-পানির ব্যয় ও কর্মসংস্থান নিয়ে উদ্বেগ

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেটা সেন্টার নির্মাণ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) শিল্পের সম্প্রসারণের বিরুদ্ধে ভোটারদের অবস্থান স্পষ্ট হয়েছে। দেশজুড়ে ডেটা সেন্টার নির্মাণসংক্রান্ত ৪১টি ভোটাভুটির প্রায় সব কটিতেই নতুন প্রকল্প প্রত্যাখ্যান অথবা নির্মাণে বিধিনিষেধ আরোপের পক্ষে ভোট পড়েছে। একমাত্র ব্যতিক্রম নর্থ ডাকোটার ছোট শহর হারউড। নির্বাচনের এই ফল দেশটির প্রযুক্তি খাতের সম্প্রসারণ, বিদ্যুৎ সরবরাহ, পানির ব্যবহার এবং এআই নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি করেছে।

আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত এক জনমত জরিপে যুক্তরাষ্ট্রের ৭০ শতাংশ ডেমোক্র্যাট ও ৫৭ শতাংশ রিপাবলিকান নতুন ডেটা সেন্টার নির্মাণ সীমিত করার পক্ষে মত দেন। মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোটাভুটিতেও সেই জনমতের প্রতিফলন দেখা গেছে।

নির্বাচন পর্যবেক্ষণ প্রকল্প ‘ডেটা সেন্টারস অন দ্য ব্যালট’-এর তথ্য অনুযায়ী, দেশজুড়ে অনুষ্ঠিত ভোটাভুটির মধ্যে একটি ছাড়া বাকি সব কটিতেই ডেটা সেন্টার নির্মাণ প্রত্যাখ্যান বা সীমিত করার পক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতার আভাস পাওয়া গেছে। প্রকল্পটি পরিচালনা করছে রেডবাড কনসালটিং। দুটি এলাকার ভোট গণনা তখনো চলছিল। সেখানেও একই ধরনের ফল আসতে পারে বলে ধারণা করা হয়েছিল।

একমাত্র ব্যতিক্রম নর্থ ডাকোটার হারউড শহর। ৮০০ জনেরও কম মানুষের বসবাস সেখানে। বড় শিল্পপ্রকল্প, বিশেষ করে ডেটা সেন্টার নির্মাণের আগে স্বাধীন পর্যালোচনা বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাবটি ভোটে প্রত্যাখ্যাত হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ডেটা সেন্টারবিরোধী অবস্থান এখন আর কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। জীবনযাত্রার ব্যয়, বিদ্যুতের বিল, পানির সংকট এবং ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থান নিয়ে উদ্বেগের সঙ্গে বিষয়টি যুক্ত হয়ে জাতীয় রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে পরিণত হয়েছে।

এআই সম্প্রসারণে বাড়ছে ডেটা সেন্টার

যুক্তরাষ্ট্রে দ্রুত বাড়ছে ডেটা সেন্টারের সংখ্যা। পিউ রিসার্চ সেন্টারের গত এপ্রিলের হিসাব অনুযায়ী, দেশটিতে প্রায় তিন হাজার ডেটা সেন্টার রয়েছে। আরও দেড় হাজারের বেশি নির্মাণাধীন।

এআই প্রযুক্তির দ্রুত সম্প্রসারণ এসব অবকাঠামো নির্মাণের অন্যতম প্রধান কারণ। তবে প্রযুক্তির অগ্রগতির পাশাপাশি এর অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব নিয়ে উদ্বেগও বাড়ছে।

টাফটস বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্লোবাল বিজনেস বিভাগের ডিন ভাস্কর চক্রবর্তী আলজাজিরাকে বলেন, এআইয়ের দ্রুত ও অনিয়ন্ত্রিত বিস্তার নিয়ে সমাজের বিভিন্ন অংশে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানুষের আশঙ্কা, এআই তাদের কর্মসংস্থান কেড়ে নিতে পারে। বৃহত্তর অর্থনীতিতে এর প্রভাব কী হবে, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে।

তবে উদ্বেগ শুধু চাকরি হারানোর আশঙ্কায় সীমাবদ্ধ নয়। আবাসিক এলাকার কাছাকাছি ডেটা সেন্টার নির্মাণের ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের দৈনন্দিন জীবনেও এর প্রভাব পড়ছে।

ডেটা সেন্টার পরিচালনায় বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ ও পানি প্রয়োজন হয়। সমালোচকদের অভিযোগ, এসব প্রতিষ্ঠানের অতিরিক্ত চাহিদার কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহে চাপ তৈরি হচ্ছে এবং শেষ পর্যন্ত সাধারণ গ্রাহকদের বিদ্যুৎ বিল বাড়তে পারে।

ভাস্কর চক্রবর্তীর মতে, জ্বালানির দাম বাড়ার পেছনে আন্তর্জাতিক সংঘাত ও শুল্কনীতির মতো কারণ থাকলেও বিদ্যুৎ গ্রিডের সক্ষমতা ও সরবরাহ নিয়ে এআই শিল্পের সঙ্গে প্রতিযোগিতাও জনঅসন্তোষের একটি কারণ।

ডালাসের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকের ২০২৬ সালের একটি গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, ডেটা সেন্টারের কারণে গত বছর পর্যন্ত পাইকারি বিদ্যুতের দাম ৬ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়েছে।

স্বাধীন ডেটা সেন্টার পরামর্শক প্রতিষ্ঠান মেট্রো কলো অ্যাডভাইজরির প্রতিষ্ঠাতা জেমস মার্সার বলেন, একটি ডেটা সেন্টারের বিদ্যুতের চাহিদা অনেক সময় ছোট একটি শহরের সমান হতে পারে। ফলে এসব প্রকল্পের বাড়তি ব্যয়ের বোঝা শেষ পর্যন্ত স্থানীয় বাসিন্দাদের ওপর পড়বে—এমন আশঙ্কা থেকেই বিভিন্ন এলাকায় বিরোধিতা জোরালো হয়েছে।

নির্বাচনি প্রচারে প্রভাব ফেলেছে ডেটা সেন্টার ইস্যু

মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেটা সেন্টার নির্মাণের বিরোধিতা প্রার্থীদের প্রচারেরও গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে ওঠে। বিশেষ করে ওহাইও ও টেক্সাসের নির্বাচনে বিষয়টি আলোচনায় ছিল।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ডেটা সেন্টার নির্মাণসংক্রান্ত ৪৭টি গণভোট ও প্রস্তাবের ওপর ভোট হয়। এর মধ্যে ২১টিই ছিল ওহাইও অঙ্গরাজ্যে।

ওহাইওতে সিনেট নির্বাচনে জয়ী ডেমোক্র্যাট প্রার্থী শেরড ব্রাউন তাঁর রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বী জন হাস্টেডের ডেটা সেন্টার নির্মাণের পক্ষে অবস্থানকে নির্বাচনি প্রচারে সমালোচনার বিষয় হিসেবে তুলে ধরেন। বছরের শুরুতে এনবিসি নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারেও তিনি এ বিষয়ে হাস্টেডের ভূমিকার সমালোচনা করেছিলেন।

টেক্সাসেও ডেটা সেন্টারবিরোধী অবস্থান নির্বাচনি প্রচারে গুরুত্ব পায়। ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জিনা হিনোজোসা স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বার্থ সুরক্ষায় কঠোর ব্যবস্থা না নেওয়া পর্যন্ত নতুন ডেটা সেন্টারের অনুমোদন স্থগিত রাখার দাবি জানান। শেষ পর্যন্ত গভর্নর নির্বাচনে বর্তমান রিপাবলিকান গভর্নর গ্রেগ অ্যাবটকে পরাজিত করেন তিনি।

ইয়র্কভিল আইভস ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড্যান আইভসের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, অ্যাবট পুনর্নির্বাচিত হলে ডেটা সেন্টার নির্মাণে বিদ্যমান স্থগিতাদেশ তুলে নিতে পারেন—এমন ধারণা ছিল বিনিয়োগকারীদের মধ্যে। অন্যদিকে হিনোজোসার অবস্থান ছিল এআই অবকাঠামোর সম্প্রসারণে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপের পক্ষে।

ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জেমস টালারিকোও নির্বাচনে জয়ী হন। প্রচারে তিনি ডেটা সেন্টারের ওপর নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

পানির সংকটেও বাড়ছে উদ্বেগ

এআই অবকাঠামো সম্প্রসারণের কারণে পানির ব্যবহার নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে টেক্সাসে। বিশেষ করে করপাস ক্রিস্টি শহরে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে।

চলতি বছরের শুরুর দিকে তীব্র খরার কারণে শহরটির জলাধারে পানির পরিমাণ ধারণক্ষমতার মাত্র ৮ শতাংশে নেমে আসে। এতে পানীয় জলের সরবরাহ নিয়েও ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল।

এ পরিস্থিতিতে ডেটা সেন্টারে পানির ব্যবহার কমাতে আবদ্ধ চক্রের পানি ব্যবস্থাপনা চালুর প্রস্তাব দেন জেমস টালারিকো। পাশাপাশি এসব প্রতিষ্ঠানের পরিচালকদের স্থানীয় অবকাঠামো উন্নয়নে অর্থায়নের আহ্বান জানান তিনি। করপাস ক্রিস্টিতে ১২ শতাংশ পয়েন্টের ব্যবধানে জয় পান টালারিকো।

অন্যদিকে সিনেটের আরেক গুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আবদুল আল-সাইয়েদ এআই শিল্পের কার্যক্রম তদারকির জন্য কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থা গঠনের প্রস্তাব দেন। নির্বাচনে তিনি ৫২ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বীকে পরাজিত করেন।

এআই শিল্পে বাড়তে পারে সরকারি নিয়ন্ত্রণ

নির্বাচনের ফলে কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে এআই শিল্পের ওপর আইনপ্রণেতাদের নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ বাড়তে পারে।

গুগল ডিপমাইন্ডের সাবেক গবেষক অ্যালেক্স টার্নার আলজাজিরাকে বলেন, নির্বাচনের ফল এআই খাতে কার্যকর নিয়ন্ত্রণ ও তদারকির সম্ভাবনা বাড়িয়েছে। প্রযুক্তিটির ঝুঁকি মোকাবিলায় আগ্রহী কংগ্রেস সদস্যদের সঙ্গে কাজ করতেও তিনি আগ্রহী।

গত ছয় মাসে এআই প্রযুক্তির নিরাপত্তা নিয়ে একাধিক ঘটনা উদ্বেগ বাড়িয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি ঘটনায় ওপেনএআইয়ের স্বয়ংক্রিয় এআই এজেন্ট নিয়ন্ত্রিত পরীক্ষামূলক পরিবেশের বাইরে গিয়ে প্রযুক্তি স্টার্টআপ হাগিং ফেসের ব্যবস্থায় প্রবেশ করে। আরেক ঘটনায় এআই এজেন্টগুলো অনুমতি ছাড়াই ব্যাংক হিসাব ব্যবহারের সুযোগ পেয়েছিল বলে অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

অক্টোবরের শেষ দিকে অ্যানথ্রপিকের ক্লদ এআই মডেল জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ভোটারদের তথ্যেও প্রবেশ করেছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

আগামী ৩ জানুয়ারি ১২০তম কংগ্রেসের কার্যক্রম শুরুর কথা। এরপর এআই শিল্পের নিরাপত্তা ব্যর্থতা ও অনিয়ম খতিয়ে দেখতে কংগ্রেসের তদারকি কমিটিগুলো সক্রিয় হতে পারে।

ম্যাসাচুসেটসের সিনেটর এড মার্কি নির্বাচনের ফলের পর নতুন তদন্ত শুরুর ঘোষণা দেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বিপুলসংখ্যক সমন জারির ইঙ্গিত দেন।

অ্যারিজোনার কংগ্রেস সদস্য ইয়াসামিন আনসারিও এআইয়ের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপের পক্ষে অবস্থান জানান। তাঁর প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে উন্নত এআইয়ের বিকাশ সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা, নিয়ন্ত্রণহীন শিল্পের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ এবং কৃত্রিম সুপারইন্টেলিজেন্স নিষিদ্ধ করা।

উদ্বেগ কমাতে উদ্যোগ, শেয়ারবাজারেও প্রভাব

নির্বাচনের পর স্থানীয় মানুষের উদ্বেগ প্রশমনে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোও উদ্যোগ নিচ্ছে। ওপেনএআই ‘সেটিং আ নিউ স্ট্যান্ডার্ড ফর রেসপনসিবল এআই ইনফ্রাস্ট্রাকচার’ শিরোনামে একটি নীতিমালা প্রকাশ করেছে।

এতে ডেটা সেন্টারে আবদ্ধ চক্রের পানি ব্যবস্থাপনা অথবা কম পানিনির্ভর শীতলীকরণ প্রযুক্তিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ ও অবকাঠামোসংক্রান্ত ব্যয় নিজেরাই বহনের অঙ্গীকার করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

নির্বাচনের কয়েক দিন আগে ওপেনএআই তাদের ডেটা সেন্টারকে ‘কম্পিউট ক্যাম্পাস’ নামে পরিচিত করার উদ্যোগও নেয়।

এদিকে নির্বাচনের ফলের প্রভাব পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারেও। এআই শিল্পের ওপর নিয়ন্ত্রণ বাড়তে পারে—এমন আশঙ্কায় খাতটির কয়েকটি বড় প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে দরপতন দেখা যায়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার চিপ নির্মাতা এনভিডিয়ার বাজারমূল্য ৪৫০ বিলিয়ন ডলার কমে যায়। শুক্রবার লেনদেনের শুরুতে শেয়ারটির দাম ৪ শতাংশ বাড়লেও আগের পাঁচ দিনের হিসাবে দর কম ছিল ৬ দশমিক ৮ শতাংশ।

ডেটা সেন্টার পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান কোরউইভের শেয়ারও বৃহস্পতিবার বড় দরপতনের মুখে পড়ে। শুক্রবার শেয়ারটির দাম ৬ দশমিক ৬ শতাংশ বাড়লেও পাঁচ দিনের হিসাবে কম ছিল ১৬ শতাংশ।

সব মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেটা সেন্টার নির্মাণ নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ের আপত্তি জাতীয় রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। বিদ্যুৎ ও পানির বাড়তি চাহিদা, জীবনযাত্রার ব্যয়, কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তা এবং এআইয়ের নিরাপত্তাঝুঁকি—সব মিলিয়ে প্রযুক্তি শিল্পের সম্প্রসারণ এখন নতুন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখে।

তথ্যসূত্র: আলজাজিরা। প্রকাশিত: ৭ নভেম্বর ২০২৬।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad