সলঙ্গায় গাছের সঙ্গে বেঁধে নারীর ওপর নির্যাতন: জোরপূর্বক জমি দখলের অভিযোগ

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৪:৩০ দুপুর
  • ১৪২৫৪১ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg

সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার নলকা ইউনিয়নের পশ্চিম মথুরাপুর গ্রামে জোরপূর্বক জমি দখল করে বসতবাড়ি নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গাছের সঙ্গে বেঁধে নারী নির্যাতনের অভিযোগও করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।


ঘটনার প্রেক্ষিতে ভুক্তভোগী জুলেখা বেগম (৩৮) বাদী হয়ে ১৪ জনকে আসামি করে সলঙ্গা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।


অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে পশ্চিম মথুরাপুর গ্রামের মো. আবু সাঈদের ছেলে মো. লিটন (৩০), আব্দুর রাজ্জাক (৪০), মেনহাজ আলী (২৮), তার স্ত্রী হাফিজা খাতুন (৫০), মো. ছমের আলী শেখের ছেলে বাবু মিয়া (৪৫), মিনু মিয়া (৪০), রেজাউল করিম (৩৫), আব্দুর রাজ্জাকের স্ত্রী খাদিজা খাতুন (৩৫), আবু সাঈদের ছেলে এশারত আলী (২৮), বাবু মিয়ার ছেলে বিতান আলী (১৯), লিটনের মেয়ে আন্না খাতুন (২৫) এবং এশারত আলীর স্ত্রী লাবনী খাতুন (২২)সহ অন্যান্যরা সংঘবদ্ধভাবে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ করা হয়েছে।


ভুক্তভোগী জুলেখা বেগম অভিযোগে জানান, সলঙ্গা থানার নলকা ইউনিয়নের সুজাপুর মৌজায় তার স্বামীর ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত প্রায় ২০ শতক জমির মধ্যে ১২ শতক জমিতে পূর্বপরিকল্পিতভাবে জোরপূর্বক টিন ও বাঁশ দিয়ে বসতবাড়ি নির্মাণ শুরু করে অভিযুক্তরা। এতে বাধা দিতে গেলে বাবু গংয়ের নির্দেশে তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের ওপর এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মারা হয় এবং একপর্যায়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে ভয়ভীতি দেখিয়ে জমি দখল করা হয়।


তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।


ঘটনাটি স্বীকার করে সোলঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইমাম জাফর দ্য ডেইলি স্কাইকে বলেন, “আমরা অভিযোগটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করেছি এবং সাব-ইন্সপেক্টর (আইএস) মোস্তাফিজুর রহমানকে তদন্ত কর্মকর্তা (আইও) হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে। তদন্ত শেষ হওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তবে তিনি ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এসআই মোস্তাফিজুর রহমানের সাথে কথা বলার পরামর্শও দিয়েছেন।

যোগাযোগ করা হলে এসআই মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি এবং জানতে পেরেছি যে, গ্রামের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ঘটনাটি ঘটেছে। তবে, তিনি নারীদের গাছে বেঁধে নির্যাতনের কথাও স্বীকার করেছেন।





কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad