ম্যানচেস্টারের ওল্ড ট্রাফোর্ডে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ইংলিশ পেসারদের তোপে ১৮.৫ ওভারে ১২৪ রানেই অলআউট হয় শ্রীলঙ্কা। শুরুতে জোফরা আর্চারের প্রথম ওভারেই ১৫ রান তুলে আক্রমণাত্মক শুরু করেছিল সফরকারীরা। তবে এরপরই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় ইংল্যান্ডের বোলিং আক্রমণ।
সনি বেকারের বলে লাহিরু উদারা ১০ রানে ফিরলে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে শ্রীলঙ্কা। পাথুম নিশাঙ্কা ২৪ বলে ২ চার ও ৩ ছক্কায় ৩৬ এবং কামিন্দু মেন্ডিস ২৮ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৩৫ রান করেন। এ দুজন ছাড়া আর কোনো লঙ্কান ব্যাটার উল্লেখযোগ্য ইনিংস খেলতে পারেননি।
ইংল্যান্ডের হয়ে সনি বেকার, জোফরা আর্চার ও উইল জ্যাকস দুটি করে উইকেট নেন। সবচেয়ে নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেন জেমি ওভারটন। ৪ ওভারে মাত্র ১৫ রান দিয়ে তিনি নেন একটি উইকেট।
বাটলারের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে সহজ জয়
১২৫ রানের লক্ষ্য ইংল্যান্ডের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়নি। অ্যানিউরিন ডোনাল্ড ১৩ রানে ফিরলেও দ্বিতীয় উইকেটে জস বাটলার ও হ্যারি ব্রুকের ৮৫ রানের জুটি ইংল্যান্ডকে জয়ের পথে এগিয়ে দেয়।
ব্রুক ৩৩ রানে রানআউট হলেও ততক্ষণে ম্যাচ ইংল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণে। শেষ পর্যন্ত ছক্কা মেরে জয় নিশ্চিত করেন জস বাটলার। ৩২ বলে ৭ চার ও ২ ছক্কায় ৬১ রানে অপরাজিত থাকেন সাবেক ইংলিশ অধিনায়ক।
মাত্র ৯.৪ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ১২৫ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় ইংল্যান্ড।
এই জয়ের ফলে টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে ভারতের সমান ২৬৯ রেটিং নিয়ে থাকা ইংল্যান্ড পয়েন্ট বাড়িয়ে শীর্ষস্থান দখল করেছে। হ্যারি ব্রুক অধিনায়ক হওয়ার পর ২৬টি পূর্ণাঙ্গ টি-টোয়েন্টির মধ্যে এটি ইংল্যান্ডের ২৩তম জয়।

প্রথম দর্পণ,স্পোর্টস ডেক্স