প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মধুপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩০ জন, তুলসীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন এবং মধ্য গোয়ালকারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আরও কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়েছে। তবে তিন বিদ্যালয় মিলিয়ে অসুস্থ শিক্ষার্থীর সঠিক সংখ্যা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
অসুস্থ শিক্ষার্থীদের মধ্যে মধুপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সুমি, মায়মুনা, সিফা, সিদ্দিকা আক্তার, আবদুল্লাহ, ফেরদৌস, কাজল, সামিরা, আফজানুর, মিমি, রোজা, তানহিয়া, মিম, রানা, মুসফিকা জান্নাত মাইসা, জান্নাতুন ফেরদৌস, রিমা, শামীম, রিমন হাসান, রিম্পা, রন্তা, আরাফাত, সাহিদা, মনিকা দেবনাথ, নবদীপ ও আরিজের নাম জানা গেছে।
কারণ অনুসন্ধানে তদন্তঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে তৎপরতা শুরু হয়েছে। তবে স্কুল ফিডিংয়ের দুধ পান করার কারণেই শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। চিকিৎসা মূল্যায়ন ও তদন্তের পর এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
মধুপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সাফি চৌধুরী জানিয়েছেন, ঘটনার সময় তিনি সরকারি ছুটিতে ছিলেন।
বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অতুল চন্দ্র বলেন, কী কারণে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অঞ্জন কুমার দাস বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।
বালিয়াডাঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বুলবুল ইসলাম জানান, পুলিশ ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত রয়েছে। প্রয়োজনীয় খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। স্কুল ফিডিংয়ের দুধ পান করার কারণেই শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়েছে কি না, তা তদন্ত ও চিকিৎসাসংক্রান্ত মূল্যায়নের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

প্রথম দর্পণ অনলাইন,ডেক্স