ব্যাটিংয়ে নামা শ্রীলঙ্কার শুরুটা ছিল দারুণ। প্রথম পাঁচ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৫৫ রান তুলে ফেলেছিলেন পাথুম নিশাঙ্কা ও তাঁর সঙ্গী। মনে হচ্ছিল বড় সংগ্রহের পথেই এগোচ্ছে সফরকারীরা। কিন্তু পাওয়ারপ্লের শেষ ওভারে পরপর দুই বলে দুই উইকেট নিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেন ডসন। এরপর শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং লাইনআপে নামে ধস।
শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেটে ১৪৫ রানেই থামে শ্রীলঙ্কা। একসময় ৯০ রানের মধ্যে হারায় ৯ উইকেট। শেষ চার ওভারে তারা তুলতে পারে মাত্র ১২ রান। ২১ বলে ৩৭ রান করে দলের সর্বোচ্চ স্কোরার নিশাঙ্কা। অধিনায়ক চারিথ আসালাঙ্কা করেন বলের সমান ৩১ রান, আর ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার ব্যাট থেকে আসে ২৭ রান।
ইংল্যান্ডের হয়ে ডসনের ৩ উইকেটের পাশাপাশি ২টি উইকেট নেন জেমি ওভারটন। সনি বেকারও আবার দেখিয়েছেন তাঁর নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের দক্ষতা। ৪ ওভারে মাত্র ১৫ রান দিয়ে ১ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি ১৯তম ওভারে মেডেন আদায় করেন তিনি।
সহজ লক্ষ্য তাড়ায় ইংল্যান্ডের শুরুটাও ছিল আক্রমণাত্মক। ৪.৩ ওভারে জস বাটলার ও অ্যানিউরিন ডোনাল্ড মিলে গড়েন ৫১ রানের উদ্বোধনী জুটি। এরপর মাত্র চার বলের ব্যবধানে দুজনই ফেরেন; বাটলার ৩০ ও ডোনাল্ড ২১ রান করেন। তবে তাতে ইংল্যান্ডের গতি থামেনি।
অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক মাত্র ৮ বলে ২৩ রান করে দলকে আরও এগিয়ে দেন। তাঁর ইনিংসে ছিল তিনটি ছক্কা। এরপর ব্যান্টনের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে দ্রুতই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় ইংল্যান্ড।
টি-টোয়েন্টিতে ইংল্যান্ডের সাম্প্রতিক দাপটও এই জয়ে আরও স্পষ্ট হয়েছে। ব্রেন্ডন ম্যাককালামের দলের গত গ্রীষ্মের শুরু থেকে খেলা সর্বশেষ ২৫টি পূর্ণাঙ্গ টি-টোয়েন্টির ২২টিতেই এসেছে জয়। অর্থাৎ জয়ের হার ৮৮ শতাংশ। পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পরের অবস্থানে থাকা ভারতের জয়ের হার ৭৩ শতাংশ।
সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে শনিবার ম্যানচেস্টারের ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কা।

প্রথম দর্পণ,স্পোর্টস ডেক্স