বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে শ্রীপুর রেলওয়ে স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। অন্য একটি ট্রেনের সঙ্গে ক্রসিংয়ের জন্য তিস্তা এক্সপ্রেস স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকাকালে আহত ওই যাত্রীকে উদ্ধার করা হয়।
আনারুল ইসলাম ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার দত্তপাড়া গ্রামের লিটন মিয়ার ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ট্রেনটি স্টেশনে দাঁড়ানোর সময় একটি বগি থেকে চিৎকার শুনতে পান স্থানীয় লোকজন। পরে তাঁরা এগিয়ে গিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় আনারুলকে উদ্ধার করেন। তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাত ছিল।
তবে আনারুল ট্রেনের ভেতরে, নাকি ছাদে হামলার শিকার হয়েছেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। কারা এবং কী কারণে তাঁকে ছুরিকাঘাত করেছে, সে বিষয়েও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় ছিনতাইয়ের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, সেটিও নিশ্চিত করতে পারেনি সংশ্লিষ্টরা।
শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. তোফায়েল হোসেন বলেন, আহত ব্যক্তির শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাত ছিল। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তাঁর রক্তচাপ কমে গিয়েছিল। প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
শ্রীপুর রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার আলমগীর হোসেন জানান, তিস্তা এক্সপ্রেসের শ্রীপুর স্টেশনে নিয়মিত যাত্রাবিরতি নেই। অন্য ট্রেনের সঙ্গে ক্রসিংয়ের কারণে ট্রেনটি সেখানে অবস্থান করছিল। এ সময় আহত যাত্রীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। তিনি ট্রেনের ছাদে নাকি ভেতরে আহত হয়েছেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
শ্রীপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক