সোমবার ঢাকায় অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে (ইআরডি) এ ঋণচুক্তি সই হয়। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন ইআরডির যুগ্মসচিব আলিয়া মেহের। চীনের এক্সিম ব্যাংকের পক্ষে সই করেন ব্যাংকটির সহকারী মহাব্যবস্থাপক ফেনজঝুন টিয়াং।
চুক্তি অনুযায়ী, প্রকল্প বাস্তবায়নে চীন সরকার ২ শতাংশ সুদে ঋণ দেবে। ঋণ পরিশোধে পাঁচ বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ মোট ২০ বছর সময় পাওয়া যাবে।
নির্মিত হবে দুটি কনটেইনার টার্মিনালপ্রকল্পের আওতায় দুটি কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণের পাশাপাশি কনটেইনার ইয়ার্ড, কনটেইনার ডেলিভারি ইয়ার্ড ও কার্গো হ্যান্ডলিং ইয়ার্ড গড়ে তোলা হবে। এসব অবকাঠামোর সঙ্গে আধুনিক যন্ত্রপাতি যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বন্দরে কনটেইনার ও পণ্য ওঠানো-নামানো, সংরক্ষণ এবং পরিবহনের প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম আরও দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনার সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে কনটেইনার ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা বাড়বে বলে আশা করছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
বাড়বে বন্দর পরিচালনার সক্ষমতামোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে মোংলা বন্দরের অবকাঠামোগত সক্ষমতা বাড়বে এবং পণ্য ও কনটেইনার হ্যান্ডলিং কার্যক্রমে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারিত হবে। এতে বন্দরের সেবার মান ও কার্যক্রমের দক্ষতা বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হবে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে মোংলা বন্দরের ভূমিকা আরও সম্প্রসারিত হবে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রকল্পের কাজ এগিয়ে গেলে মোংলা বন্দরের অবকাঠামো উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের উদ্যোগ নতুন গতি পাবে। এর মাধ্যমে দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যে বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক