শনিবার (৭ নভেম্বর) বেলা ১১টায় যশোর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ ও ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান একটি বিষয় স্পষ্ট করেছে—দেশ ও জাতির প্রয়োজনে জনগণ ও সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে থাকা অলিখিত ও অপ্রকাশ্য দূরত্ব অনেক সময় ভেঙে পড়ে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে জনগণ ও সশস্ত্র বাহিনী সবসময় সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সশস্ত্র বাহিনীর চেইন অব কমান্ড প্রসঙ্গে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, বাহিনীর সর্বোচ্চ পর্যায়ের কেউ যদি দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস না করেন এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে অধস্তন কর্মকর্তারা তাঁর নির্দেশ অনুসরণ করেন না।
তিনি আরও বলেন, ৭ নভেম্বর ও ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।
যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নুরুজ্জামান, চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মিজানুর রহমান খান এবং প্রেস ক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক