এ ঘটনায় কলেজটির পাঠদানের মান, শিক্ষার পরিবেশ ও সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
কলেজের অধ্যক্ষ ফারুক ইকবাল জানান, ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়। দুই দশকের বেশি সময় পার হলেও কলেজটি এখনো এমপিওভুক্ত হয়নি। পাশাপাশি নিজস্ব কোনো পাকা একাডেমিক ভবনও নেই। টিনশেড ঘরেই চলছে শিক্ষা কার্যক্রম।
অবকাঠামো সংকটে কমছে শিক্ষার্থীঅধ্যক্ষের দাবি, এমপিওভুক্ত না হওয়া, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধার অভাবে ভালো মানের শিক্ষার্থীরা কলেজটিতে ভর্তি হতে আগ্রহী হয় না। ফলে দিন দিন শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমছে।
এর ধারাবাহিকতায় চলতি বছর মানবিক বিভাগ থেকে মাত্র একজন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। কিন্তু সেই একমাত্র পরীক্ষার্থীও একটি বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ায় কলেজটির পাসের হার দাঁড়িয়েছে শূন্যে।
আট শিক্ষক থাকলেও প্রশ্ন পাঠদানের মান নিয়েপ্রতিষ্ঠার ২৪ বছর পার হলেও কলেজটির অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও শিক্ষার্থী সংকটের সমাধান হয়নি। আটজন শিক্ষক কর্মরত থাকার পরও একমাত্র পরীক্ষার্থীর উত্তীর্ণ হতে না পারার ঘটনা প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
শিক্ষার্থী সংকট, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা ও পাঠদানের মান—সবকিছু পর্যালোচনা করে কলেজটির শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক