মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নিজ কার্যালয়ে দৈনিক যুগান্তরকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন আইজিপি। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাঠপর্যায়ে পুলিশের ভূমিকা, বিতর্কিত ও পলাতক পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এবং বাহিনীর ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেন তিনি।
তথ্য পাচারকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাপুলিশের অভ্যন্তরীণ তথ্য বাইরে পাচারের বিষয়ে আইজিপি বলেন, চাকরিতে বহাল থেকে যেসব পুলিশ সদস্য বাহিনীর ভেতরের তথ্য বাইরে দিচ্ছেন, তদন্তের মাধ্যমে তাঁদের আইনের আওতায় আনা হবে। এ প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, অতীতে দলীয় লেজুড়বৃত্তিতে জড়িত কিছু পুলিশ সদস্য এখন পলাতক। পলাতক সদস্যদের সঙ্গে কর্মরত যেসব পুলিশ সদস্যের যোগাযোগ রয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধেও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ষড়যন্ত্র ও গুজব ছড়ালে ব্যবস্থাপুলিশের ভেতরে ষড়যন্ত্রকারীর সংখ্যা খুবই কম বলে উল্লেখ করেন আইজিপি। তাঁর ভাষ্য, কোনো ষড়যন্ত্রকারীই আইনের বাইরে থাকবেন না।
তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসনামলের ১৭ বছরে নিয়োগ পাওয়া পুলিশ সদস্যদের চাকরি থাকবে না—এমন গুজব ছড়ানো হচ্ছে। যারা এ ধরনের গুজব ছড়াচ্ছে, তাদের চিহ্নিত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আইজিপি জানান, অতীতে ষড়যন্ত্রকারীদের সঙ্গে টেলিসংলাপে অংশ নেওয়া পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনা থেকে অন্যদের শিক্ষা নেওয়া উচিত।
মাদক ও আসামি ছাড়িয়ে দেওয়ার অনিয়ম বন্ধের দাবিপুলিশের অতীতের অনিয়মের প্রসঙ্গ তুলে আলী হোসেন ফকির বলেন, একসময় মাদকের স্পট থেকে টাকা নেওয়া হতো এবং অর্থের বিনিময়ে আসামি ছেড়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটত। তাঁর দাবি, এসব অনিয়ম এখন বন্ধ করা হয়েছে।
মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সততা ও পেশাদারত্ব বজায় রাখতে হবে। অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য ছাড় থাকলেও ইচ্ছাকৃতভাবে অপেশাদার আচরণ করলে কাউকে রেহাই দেওয়া হবে না।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক