এস্তোনিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্টিন হেরেম এ বাংকার নির্মাণের পরিকল্পনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বলে জানিয়েছে আনাদোলু এজেন্সি।
রুশ হুমকি মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি
ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে ইউরোপের পূর্বাঞ্চলীয় দেশগুলোর মধ্যে নিরাপত্তা উদ্বেগ বেড়েছে। বিশেষ করে রাশিয়ার প্রতিবেশী দেশগুলো সম্ভাব্য সামরিক হামলা ও নাশকতার আশঙ্কায় প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি জোরদার করছে।
ন্যাটোর কর্মকর্তারাও রাশিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিবেশী দেশগুলোতে ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি, আকাশসীমা লঙ্ঘন এবং বিভিন্ন ধরনের গোপন নাশকতামূলক তৎপরতার অভিযোগ তুলে সতর্ক করে আসছেন। এ পরিস্থিতিতে সম্ভাব্য হামলা মোকাবিলায় প্রতিরক্ষাব্যবস্থা শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছে এস্তোনিয়া।
সরকারি ও ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে বাংকার
পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রস্তাবিত ১৫০টি বাংকারের অধিকাংশ নির্মাণ করা হবে সরকারি জমিতে। বাকি বাংকারগুলো স্থানীয় বাসিন্দাদের ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি অথবা পৌরসভার জায়গায় নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।
এদিকে সীমান্ত থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরে একটি আধুনিক সামরিক ঘাঁটিতে পুরো একটি বাহিনী স্থায়ীভাবে মোতায়েনের উদ্যোগ নিয়েছে এস্তোনিয়া। সম্ভাব্য রুশ হামলার ক্ষেত্রে দ্রুত প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং পাল্টা জবাব দেওয়ার সক্ষমতা বাড়ানোই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।
সীমান্তে ন্যাটোর তৎপরতা বৃদ্ধি
এস্তোনিয়ার পাশাপাশি ন্যাটোও ইউরোপের পূর্বাঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়েছে। জোটটির অতিরিক্ত সেনা মোতায়েনের মধ্য দিয়ে ওই অঞ্চলের সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইউক্রেন যুদ্ধের পর রাশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে নিরাপত্তা উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। এস্তোনিয়ার বাংকার নির্মাণ ও সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা সেই উদ্বেগেরই প্রতিফলন।
তথ্যসূত্র: আনাদোলু এজেন্সি; আজকের পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন।

প্রথম দর্পণ,আন্তর্জাতিক ডেস্ক