বৈঠকে ব্রিটিশ কাউন্সিলের পক্ষ থেকে ব্যারিস্টার গিয়াস উদ্দিন রিমনকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। এ সময় প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে জাতীয় পর্যায়ে সরকারের উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে কীভাবে সহযোগিতা করা যায়, তা নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় হয়।
আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পায় বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা বৃদ্ধি এবং শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের বিষয়টি। পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান উপযোগী সক্ষমতা তৈরিতে যৌথভাবে কাজ করার সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা করেন দুই পক্ষের প্রতিনিধিরা।
এ ছাড়া আন্তর্জাতিক সংযোগ সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশের পর্যটন খাতের বিকাশে ব্রিটিশ কাউন্সিল কীভাবে সহযোগিতামূলক ভূমিকা রাখতে পারে, সে বিষয়েও মতবিনিময় হয়।
বৈঠক শেষে ব্রিটিশ কাউন্সিল এক বিবৃতিতে জানায়, বাংলাদেশের শিক্ষা ও পর্যটন খাতে অর্থবহ যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের ব্যাপক সম্ভাবনা আলোচনায় উঠে এসেছে। এ ধরনের সহযোগিতা দেশের সার্বিক উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আলোচনার ভিত্তিতে অভিন্ন লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে ভবিষ্যতে একযোগে কাজ করতে আগ্রহী ব্রিটিশ কাউন্সিল।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক