মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সরাসরি ফ্লাইট ২২টি, ট্রানজিট ৩৯টিবেবিচকের তথ্য অনুযায়ী, স্থগিত হওয়া ২২টি সরাসরি ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৯টি, রিয়াদ এয়ারের সাতটি, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের চারটি এবং ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের দুটি ফ্লাইট রয়েছে।
অন্যদিকে, ৩৯টি ট্রানজিট ফ্লাইটের মধ্যে ইন্ডিগোর ১৬টি, এমিরেটসের নয়টি, কাতার এয়ারওয়েজের পাঁচটি, ফ্লাইদুবাইয়ের পাঁচটি, সালাম এয়ারের তিনটি এবং ইজিপ্ট এয়ারের একটি ফ্লাইট রয়েছে।
যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়তে পারেবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যাত্রীসংক্রান্ত হিসাবের মধ্যে রিয়াদ এয়ারের ফ্লাইটগুলোর যাত্রীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এয়ারলাইনসটি এখনো তাদের যাত্রীর সংখ্যা জানায়নি। তথ্য পাওয়া গেলে মোট যাত্রীর হিসাব হালনাগাদ করা হবে।
এর আগে বেবিচক জানিয়েছিল, ৫১টি ফ্লাইট স্থগিত হওয়ায় ৫ হাজার ৪১৮ জন যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েছেন। সর্বশেষ হিসাবে স্থগিত ফ্লাইটের সংখ্যা বেড়ে ৬১টিতে দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে ভোগান্তিতে পড়া যাত্রীর সংখ্যাও বেড়ে ৯ হাজার ছাড়িয়েছে।
ফ্লাইট স্থগিতের মেয়াদ বাড়াল দুই এয়ারলাইনসসৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে একের পর এক হামলার ঘটনায় বিমান চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ ও ফ্লাইট স্থগিতের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। হামলার লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও রয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস আগামী ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত ঢাকা-রিয়াদ-ঢাকা রুটের ফ্লাইট চলাচল স্থগিত রাখার ঘোষণা দিয়েছে। অন্যদিকে, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস ২১ অক্টোবর পর্যন্ত রিয়াদগামী ফ্লাইট স্থগিত করেছে।
ফলে নির্ধারিত সময়ে সৌদি আরবে যাতায়াত নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন বহু যাত্রী। ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা জানতে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

প্রথম দর্পণ,জাতীয় ডেস্ক