বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত ফলাফলে সারা দেশ থেকে সহকারী জজ পদে মোট ২০০ জনকে সুপারিশ করা হয়েছে।
সুপারিশপ্রাপ্তদের মধ্যে ইবির আইন বিভাগের ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের আরিফুল ইসলাম, ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের আসিফ ইসলাম ও শফিক শোভন, ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের সাদিয়া আফরিন, ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের হুমায়ন কবির ও সালমা খাতুন এবং ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শারমিন খাতুন, শাকির আলম, মেহবুবা মোহিনী, মো. রফিকুজ্জামান, আনোয়ার হোসেন ও ইয়াসমিন খাতুন রয়েছেন।
এ ছাড়া আইন বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের লিখন এবং ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের আমজাদ হোসেন সহকারী জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।
ল অ্যান্ড ল্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের তৌহিদুল ইসলাম ও এ এইচ হাবিব, ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের নুসরাত জাহান তানী এবং ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের রুকনুজ্জামান রায়হান এ তালিকায় রয়েছেন। আল ফিকহ অ্যান্ড ল বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের রাজু আহমেদও সহকারী জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।
মেধা তালিকায় ২৬তম হওয়া রাজু আহমেদ বলেন, ‘অনার্সের ফল প্রকাশের আগেই আমি আবেদন করেছিলাম। মাস্টার্স এখনো চলমান। এত বেশি আশা করিনি। মহান আল্লাহর প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা, তিনি আমাকে এই জায়গায় নিয়ে এসেছেন।’
বিচারক হয়ে দেশ ও মানুষের ন্যায়বিচারে কাজ করার ইচ্ছা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর থেকেই ছিল জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবারও তাকে এ বিষয়ে উৎসাহ দিয়েছে। এ সাফল্যের জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি।
তথ্যসূত্র: যুগান্তর, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক