৫০ শয্যাবিশিষ্ট বাহুবল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিদিন উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ছাড়াও পাশের নবীগঞ্জ উপজেলার পানিউমদা ইউনিয়নসহ আশপাশের এলাকার মানুষ চিকিৎসা নিতে আসেন। গুরুত্বপূর্ণ এ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের সামনেই বর্জ্য ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রোগী ও স্বজনেরা।
হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীর স্বজন আমির উদ্দিন ও আলফু মিয়া বলেন, হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানের সামনে ময়লা-আবর্জনা পড়ে থাকা এবং পুকুরে কচুরিপানা জমে মশার প্রজননের পরিবেশ তৈরি হওয়া দুঃখজনক। দ্রুত বর্জ্য অপসারণ, পুকুর পরিষ্কার ও মশক নিধন কার্যক্রম জোরদারের দাবি জানান তারা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আশপাশে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম না থাকায় পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। রোগীদের সুস্থ করার জন্য যেখানে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়, সেই হাসপাতালের সামনেই যদি বর্জ্য ও মশার প্রজননের অনুকূল পরিবেশ থাকে, তাহলে রোগী ও স্বজনদের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমানো কঠিন বলে মনে করছেন তারা।
পুকুর পরিষ্কার না হওয়ায় উদ্বেগস্থানীয় কয়েকজনের ভাষ্য, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল্লাহেল মারুফ ফারুকী যোগদানের পর পুকুরটি সেচ দিয়ে মাছ ধরার পর সেখানে কচুরিপানা জমতে শুরু করে। দীর্ঘদিন কচুরিপানা পরিষ্কার না হওয়ায় পুকুরের বিভিন্ন স্থানে পানি স্থির হয়ে আছে। এতে মশার বংশবিস্তারের আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, এর আগে পুকুর পরিষ্কার করা হয়েছিল। আবারও পরিষ্কার করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
বাহুবল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল্লাহেল মারুফ ফারুকী বলেন, ‘আমাদের স্টাফদের দিয়ে গত মাসে পরিষ্কার করিয়েছি। আবারও পরিষ্কার করাব।’
এ বিষয়ে হবিগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. রত্নদ্বীপ বিশ্বাস বলেন, বিষয়টি তাঁর জানা ছিল না। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ব্যবস্থা নিতে বলে দেবেন।

প্রথম দর্পণ অনলাইন,ডেক্স