স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মিজানুর রহমান (এমএ) দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের পাশাপাশি এলাকার সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যা ও স্থানীয় উন্নয়নসংক্রান্ত বিষয়ে সক্রিয় রয়েছেন বলে স্থানীয়দের অনেকে জানিয়েছেন।
স্থানীয় পর্যায়ের আলোচনায় তাঁর সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে উঠে আসার ক্ষেত্রে দলীয় রাজনীতিতে সক্রিয়তা, নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সম্পর্ককে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তরুণ ভোটার ও যুবসমাজের একটি অংশের মধ্যেও তাঁকে নিয়ে আগ্রহ রয়েছে বলে স্থানীয়ভাবে আলোচনা চলছে।
চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের রাস্তাঘাট ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, কৃষকদের সহযোগিতা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নাগরিক সেবা সহজ করার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন মিজানুর রহমান।
তিনি বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। দল ও এলাকার মানুষের আস্থা পেলে সলঙ্গা ইউনিয়নের উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে চাই। কোনো বিভেদ নয়—সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে একটি সুন্দর, উন্নত ও জনবান্ধব ইউনিয়ন গড়ে তুলতে চাই।”
নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে সলঙ্গা ইউনিয়নে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা আরও বাড়ছে। বিএনপির সমর্থন প্রত্যাশী সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে মিজানুর রহমান (এমএ)-এর অবস্থান নিয়েও দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আলোচনা চলছে।
তবে শেষ পর্যন্ত দলীয় সিদ্ধান্ত, নির্বাচনী প্রক্রিয়া এবং ভোটারদের রায়ই নির্ধারণ করবে ৮ নম্বর সলঙ্গা ইউনিয়নের পরবর্তী চেয়ারম্যান কে হচ্ছেন।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক