চাঞ্চল্যকর অভিযোগে গাইবান্ধায় ট্রাফিক সার্জেন্ট ক্লোজ, তদন্তে পুলিশ

  • প্রথম দর্পণ,জাতীয় ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ২১ জুন ২০২৬, ০৬:০৭ বিকাল
  • ২৪২১১ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg

গাইবান্ধায় নারীঘটিত অভিযোগ ও শৃঙ্খলাজনিত অনিয়মের অভিযোগে এক ট্রাফিক সার্জেন্টকে ক্লোজ করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে জেলা পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গাইবান্ধা ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত সার্জেন্ট জাহাঙ্গীরকে গত শুক্রবার (১৯ জুন) দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়। শনিবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন গাইবান্ধা ট্রাফিক বিভাগের ইন্সপেক্টর (টিআই) আলতাব হোসেন।

যা জানা গেছে ঘটনার বিষয়ে

স্থানীয় সূত্র ও ট্রাফিক বিভাগ সংশ্লিষ্টদের বরাতে জানা যায়, সম্প্রতি দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে কনটেন্ট তৈরি করে আসছিলেন ওই সার্জেন্ট। সেই সূত্র ধরেই এক নারী কনটেন্ট ক্রিয়েটরের সঙ্গে তার পরিচয় ও ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় বলে অভিযোগ ওঠে।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৭ জুন রাতে পলাশবাড়ী পৌরসভার হরিণমারী এলাকার একটি ভাড়া বাসায় ওই সার্জেন্ট ও ওই নারীকে স্থানীয়রা আটক করে ঘিরে ফেলেন বলে দাবি করা হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই সময় বাসা থেকে সন্দেহজনক পরিস্থিতি এবং পরবর্তীতে মাদক (ইয়াবা) থাকার কথাও শোনা যায়। তবে এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু নিশ্চিত করা হয়নি।

প্রশাসনের অবস্থান

গাইবান্ধা ট্রাফিক বিভাগের টিআই আলতাব হোসেন বলেন, “ঘটনার পর সার্জেন্ট জাহাঙ্গীরকে ক্লোজ করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।”

তিনি আরও জানান, তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তদন্তের অপেক্ষায় প্রশাসন

ঘটনার পর বিষয়টি স্থানীয়ভাবে আলোচনায় আসে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। এরপরই পুলিশ প্রশাসন তাকে ক্লোজ করার সিদ্ধান্ত নেয়।

এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কোনো মামলা বা চূড়ান্ত অভিযোগের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি।

তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad