স্বাস্থ্য খাতকে পুনরুদ্ধার করে গতিশীল করার কাজ চলছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:১২ রাত
  • ৯৩৩ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg
বিগত সময়ে লুটপাট ও অব্যবস্থাপনার কারণে দেশের স্বাস্থ্য খাত ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছিল বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াৎ হোসেন। তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বর্তমান সরকার স্বাস্থ্য খাতকে সেই অবস্থা থেকে পুনরুদ্ধার করে ট্র্যাকে ফিরিয়ে এনেছে। এখন এ খাতকে পূর্ণগতিতে এগিয়ে নেওয়ার কাজ চলছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত ‘এসজেডএমসি ডে-২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, দেশের স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেল চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে ঢাকার পাঁচটি টারশিয়ারি হাসপাতালের সঙ্গে আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সেবাগ্রহীতাদের জন্য চার্জ নির্ধারণসংক্রান্ত বৈঠক শেষ হলে পরীক্ষামূলকভাবে পাইলট প্রকল্প চালু করা হবে। পরবর্তী সময়ে বগুড়াসহ দেশের অন্যান্য বড় শহরেও এ কার্যক্রম সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

নতুন করে নিয়োগ পাচ্ছেন ৫ হাজার চিকিৎসক

চিকিৎসক সংকট নিরসনে সরকারের উদ্যোগ তুলে ধরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্য ক্যাডারে নতুন যোগদান করা চিকিৎসকদের মধ্য থেকে ইতোমধ্যে বগুড়ায় ১৭ জনকে পদায়ন করা হয়েছে। এ ছাড়া সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) মাধ্যমে নতুন করে পাঁচ হাজার চিকিৎসক নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে। আবেদন গ্রহণ শেষে নিয়োগ কার্যক্রম বর্তমানে সাক্ষাৎকার পর্যায়ে রয়েছে। এ নিয়োগ সম্পন্ন হলে দেশের চিকিৎসক সংকট অনেকাংশে কমে আসবে।

বগুড়ায় আধুনিক আইসিইউ স্থাপনের উদ্যোগ

বগুড়ার স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে নতুন করে প্রায় ২০টি আধুনিক নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। এর মধ্যে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালও রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, হাসপাতালের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নত করতে বর্জ্য শোধনাগার (ইটিপি) স্থাপনের বিষয়েও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বগুড়াসহ দেশের বড় হাসপাতালগুলোতে আধুনিক অবকাঠামো নিশ্চিত করতে কার্যকর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ সময় হাসপাতালের বিদ্যমান সমস্যাগুলো লিখিতভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের আশ্বাসও দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

এর আগে তিনি শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল প্রাঙ্গণ পরিদর্শন করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশাহ। প্রধান বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনসের (বিসিপিএস) সভাপতি, কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর।

সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসেন।

শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. ওবায়দুল হক তরফদারের পৃষ্ঠপোষকতায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রীর সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির বিটু। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা ও সার্বিক সমন্বয়ে ছিলেন অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যসচিব অধ্যাপক ডা. মু. জহুরুল হক।





কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad