বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে পুলিশের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানানো হয়।
পুলিশ জানায়, আনন্দ রাজ বেঙ্গালুরুর ইয়েলাহাঙ্কায় সুইট কর্ন তৈরির যন্ত্র উৎপাদনের একটি ছোট কারখানা পরিচালনা করেন। প্রায় দুই বছর আগে কিরণকে ওই কারখানায় নিয়োগ দেন তিনি। কাজের সূত্রে একপর্যায়ে আনন্দ রাজের মেয়ের সঙ্গে কিরণের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে অভিযোগ। তবে এ সম্পর্ক মেনে নিতে পারেননি আনন্দ রাজ।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গত সোমবার (২ নভেম্বর) মেয়েকে আনন্দ রাজ জানান, তিনি তামিলনাড়ুতে নিজের গ্রামের বাড়িতে যাচ্ছেন। কিন্তু ওই দিন বিকেলেই স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে ইয়েলাহাঙ্কার বাড়িতে ফিরে আসেন তিনি। সেখানে একটি কক্ষে মেয়ের সঙ্গে কিরণকে দেখতে পান বলে অভিযোগ রয়েছে।
এরপর স্ত্রী ও মেয়েকে চিক্কাবল্লাপুরে এক আত্মীয়ের বাড়িতে পাঠিয়ে দেন আনন্দ রাজ। অন্যদিকে, কিরণকে বাড়ির ভেতরে আটকে রেখে ব্যাট দিয়ে সারা রাত ধরে মারধর করেন বলে অভিযোগ করেছে পুলিশ।
পরদিন বিকেলে কিরণের তলপেটে লাথি মারেন আনন্দ রাজ। এতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। পরে অভিযুক্ত তাঁকে অটোরিকশায় করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে ইয়েলাহাঙ্কা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করে। এ ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে অভিযুক্ত আনন্দ রাজকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ আরও জানায়, আনন্দ রাজের মেয়ে মহীশূরের একটি কলেজে প্রি-ইউনিভার্সিটি কোর্সের (পিইউসি) দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি একটি হোস্টেলে থাকেন। ছুটিতে বাড়িতে এসে কিরণের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়েছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।
ঘটনার প্রকৃত কারণ ও হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত জানতে তদন্ত অব্যাহত রেখেছে পুলিশ।
তথ্যসূত্র: এনডিটিভি, ৫ নভেম্বর ২০২৬।

প্রথম দর্পণ,আন্তর্জাতিক ডেস্ক