সালমান শাহ হত্যা মামলা: ১১ দফা সময় নিয়েও প্রতিবেদন দিতে পারেনি সিআইডি

  • প্রথম দর্পণ,বিনোদন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৫ দুপুর
  • ৫৩৬৮ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg
তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নতুন তারিখ ৮ ডিসেম্বর

চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যুতে দায়ের করা হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল আবারও পিছিয়েছে। সাবেক স্ত্রী সামিরা হক, খলনায়ক আশরাফুল হক ডনসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে করা এ মামলায় প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য আগামী ৮ ডিসেম্বর নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত। এ নিয়ে মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা ১১ বারের মতো সময় পেলেন।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) পরিদর্শক জিয়াউল মোর্শেদ প্রতিবেদন জমা দিতে পারেননি। পরে আদালত নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক ওয়াজেদ আলী খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার পটভূমি

২০২৫ সালের ২০ অক্টোবর মধ্যরাতে সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীর পক্ষে তাঁর ভাই মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম রমনা থানায় হত্যা মামলাটি করেন। আদালত এজাহার গ্রহণ করে তদন্ত কর্মকর্তাকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন সামিরা হকের মা লতিফা হক লুসি, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, ডন, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, রুবী, আবদুস ছাত্তার, সাজু এবং রেজভি আহমেদ ওরফে ফরহাদ।

এজাহারে যেসব অভিযোগ

এজাহারে বলা হয়েছে, সালমান শাহর প্রকৃত নাম চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তাঁর মা নিলুফার জামান চৌধুরী ওরফে নীলা চৌধুরী, বাবা কমর উদ্দীন আহমদ চৌধুরী এবং ছোট ভাই শাহরান শাহ নিউ ইস্কাটনের বাসায় তাঁর সঙ্গে দেখা করতে যান। সেখান থেকে তাঁদের সিলেটে যাওয়ার কথা ছিল।

এজাহারের বিবরণ অনুযায়ী, সালমানের স্ত্রী সামিরা হক ও বাসার কর্মচারী আবুল তাঁদের জানান, সালমান ঘুমাচ্ছেন। একই সময়ে চলচ্চিত্র প্রযোজক সিদ্দিকও তাঁর সঙ্গে দেখা করতে যান। পরে সালমানের বাবা-মা তাঁকে জানিয়ে বাসা থেকে চলে যান যে, সিলেটে যাওয়ার পথে আবার দেখা করবেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ওই দিন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে প্রোডাকশন ম্যানেজার সেলিম ফোন করে সালমানের বাবাকে জানান, সালমানের ‘যেন কী হয়েছে’। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা বাসায় গিয়ে তাঁকে শোবার ঘরে পড়ে থাকতে দেখেন।

এজাহারে দাবি করা হয়েছে, তখন কয়েকজন নারী তাঁর হাত-পায়ে তেল মালিশ করছিলেন এবং রুবী নামে এক নারী সেখানে ছিলেন। পরে সালমানের মা-বাবা তাঁকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে গলায় দড়ির দাগ এবং মুখমণ্ডল ও পা নীলচে দেখতে পান। প্রথমে হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে নেওয়ার পথে পরে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad