বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) মধ্যরাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এসব মন্তব্য করেন রাশেদ খাঁন।
পোস্টে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের কর্মকাণ্ড নিয়ে একাধিক অভিযোগ তুলে তিনি প্রশ্ন করেন, যে দলের নেতাদের বিরুদ্ধে পরকীয়ার খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়, যারা রোজা ও পূজাকে মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ মনে করে এবং রাজনৈতিক অবস্থানের ক্ষেত্রে দ্বৈতনীতি অনুসরণ করে বলে অভিযোগ রয়েছে, তারা কীভাবে জনগণকে হেদায়েতের পথ দেখাবে?
রাশেদ খাঁন আরও অভিযোগ করেন, জামায়াতের এক আইনজীবী শহীদ আবরার ফাহাদের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করেছেন। এ ছাড়া ভারতবিরোধী বক্তব্য এবং ভারতীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠকের অভিযোগ তুলে দলটির রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।
পোস্টে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি আবদুল মালেকের বক্তব্যের প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন রাশেদ খাঁন। তিনি দাবি করেন, জামায়াতে ইসলামী সম্পর্কে মুফতি আবদুল মালেকের মন্তব্যের পর দলটির নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে।
রাশেদ খাঁনের ভাষ্য, ওয়াজের মঞ্চে আমির হামজা ও তারেক মনোয়ারের মতো ব্যক্তিদের বক্তব্যের মাধ্যমে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করা সম্ভব হলেও সাধারণ মানুষের কাছে জামায়াতকে আর ইসলামি দল হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে না।
তিনি আরও বলেন, জামায়াতের দেখানো জান্নাতের পথে হেঁটে মানুষ আর ‘দাজ্জালের জান্নাতে’ যেতে আগ্রহী হবে না। বিদেশিদের সঙ্গে বৈঠকে ক্ষমতায় গেলে শরিয়া আইন প্রতিষ্ঠার বিষয়ে দেওয়া বক্তব্য নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
পোস্টের শেষাংশে রাশেদ খাঁন মন্তব্য করেন, বিদেশিদের কাছে ‘কোথায় বলেছি ক্ষমতায় গেলে শরিয়া আইন কায়েম করব?’—এমন বক্তব্য দেওয়া কোনো দলকে ইসলামি দল হিসেবে বিবেচনা করা যায় না।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক