নিহত সবুজ ওই গ্রামের শিকিম মোল্লার ছেলে। তিনি এক সন্তানের জনক।
রাতে বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে মোসলেমাবাদ স্ট্যান্ডে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন সবুজ। এরপর তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। বুধবার সকালে কৃষিকাজের জন্য মাঠে যাওয়ার পথে স্থানীয় লোকজন আজিজের বাড়ির পাশে একটি কড়ইগাছে রশিতে ঝুলন্ত অবস্থায় তাঁর লাশ দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।
আর্থিক লেনদেন নিয়ে সন্দেহ
সবুজের বাবা শিকিম মোল্লা জানান, তাঁর ছেলের সঙ্গে এক ব্যক্তির আর্থিক লেনদেন ছিল। ওই ব্যক্তির নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেন, সবুজ মাঝেমধ্যে তাঁকে বলতেন, ‘ওরা আমাকে মেরে ফেলবে।’ তবে কাদের উদ্দেশে সবুজ এ কথা বলতেন, তা তিনি নিশ্চিত করে জানাতে পারেননি।
মঙ্গলবার রাতে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পরদিন ছেলের মৃত্যুর খবর পান বলে জানান শিকিম মোল্লা।
এদিকে, স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, সবুজ মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তবে তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে মাদক ব্যবসার কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
আত্মহত্যা নাকি হত্যাকাণ্ড, তদন্তে প্রকৃত কারণ
এ ঘটনায় মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তাঁরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।
সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সবুজ আত্মহত্যা করেছেন। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্তের ফলাফলের অপেক্ষা করতে হবে।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক