ফ্রান্সের সংকটের ছায়া যুক্তরাষ্ট্রে? ঋণ, মূল্যস্ফীতি ও রাজনীতিতে বাড়ছে উদ্বেগ

  • প্রথম দর্পণ,আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৯ দুপুর
  • ২৫৯৭ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg ছবি: সংগৃহীত
ফ্রান্সের রাজনৈতিক অস্থিরতা, সরকারি ঋণের চাপ, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও সহিংস বিক্ষোভ নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে—যুক্তরাষ্ট্রও কি একই ধরনের সংকটের দিকে এগোচ্ছে? দুই দেশের অর্থনৈতিক চাপ ও রাজনৈতিক মেরুকরণের মধ্যে মিল থাকলেও তাদের সংকটের ধরন ও ঝুঁকি এক নয়। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থায় ডলারের প্রভাব যুক্তরাষ্ট্রকে কিছু বাড়তি সুবিধা দিচ্ছে। তবে এ সুবিধা দেশটির আর্থিক ও রাজনৈতিক ঝুঁকি পুরোপুরি দূর করতে পারে না।

সাম্প্রতিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে ফ্রান্সের মতো সংকটের আশঙ্কা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। কিন্তু ফ্রান্সের বর্তমান পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রেও অনিবার্যভাবে তৈরি হবে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর মতো প্রমাণ নেই।

ফ্রান্সে সংকটের পেছনে ঋণ ও রাজনৈতিক অচলাবস্থা

ফ্রান্সের সংকট শুধু বিক্ষোভ কিংবা পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে সীমাবদ্ধ নয়। এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের বাজেট ঘাটতি, সরকারি ঋণ বৃদ্ধি, দুর্বল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং পার্লামেন্টে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমঝোতার অভাব।

প্রতিবেদনে দেওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, ফ্রান্সের অর্থনীতি চলতি বছর প্রায় ০.৫ শতাংশ বাড়তে পারে। দেশটির বাজেট ঘাটতি মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৬.৪ শতাংশে পৌঁছানোর আশঙ্কা রয়েছে। সরকার ৫৪ বিলিয়ন ইউরোর সাশ্রয়ী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করলেও ঘাটতি ৫ শতাংশ বা তার বেশি থাকতে পারে। সরকারি ঋণ জিডিপির ১২০ শতাংশ ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে সরকারকে ব্যয় কমানো ও রাজস্ব বাড়ানোর মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। কিন্তু কর বৃদ্ধি কিংবা সরকারি ব্যয় সংকোচনের পদক্ষেপ জনঅসন্তোষ বাড়াতে পারে। অন্যদিকে প্রয়োজনীয় সংস্কার পিছিয়ে দিলে ঋণের সুদ পরিশোধের ব্যয় আরও বাড়ার ঝুঁকি রয়েছে।

দুর্বল প্রবৃদ্ধি ও উচ্চ ঋণের চাপ পরস্পরকে আরও জটিল করে তুলছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কম হলে রাজস্ব আয় বাড়ানো কঠিন হয়, আর ঋণের সুদ বেড়ে গেলে সরকারের উন্নয়ন ও জনসেবামূলক খাতে ব্যয়ের সুযোগ সংকুচিত হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের ঋণও উদ্বেগের কারণ

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি ফ্রান্সের তুলনায় অনেক বড় হলেও সরকারি ঋণের বোঝা দেশটির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। বয়স্ক জনগোষ্ঠীর জন্য ব্যয় বৃদ্ধি, জীবনযাত্রার উচ্চ ব্যয় এবং বাজেট নিয়ে রাজনৈতিক মতবিরোধ ওয়াশিংটনের আর্থিক সিদ্ধান্তকে কঠিন করে তুলছে।

প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রের ঋণ-জিডিপি অনুপাত প্রায় ১২৫ শতাংশ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ঋণের অনুপাত বেশি হলেই কোনো দেশ অবধারিতভাবে আর্থিক সংকটে পড়বে, এমন নয়। ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা, সুদের হার, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থাও গুরুত্বপূর্ণ।

যুক্তরাষ্ট্রের বড় সুবিধা হলো আন্তর্জাতিক অর্থব্যবস্থায় ডলারের কেন্দ্রীয় ভূমিকা। বৈশ্বিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ডলারের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। একই সঙ্গে মার্কিন ট্রেজারি বন্ড আন্তর্জাতিক আর্থিক বাজারের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। এ কারণে ঋণ ব্যবস্থাপনা ও অর্থায়নের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সুযোগ ফ্রান্সের চেয়ে আলাদা।

তবে এ সুবিধা সীমাহীন নয়। ঋণের সুদ পরিশোধে বাজেটের বড় অংশ ব্যয় হলে প্রতিরক্ষা, অবকাঠামো, স্বাস্থ্যসেবা ও অন্যান্য খাতে বরাদ্দের সুযোগ কমতে পারে। ঋণ ও বাজেট নিয়ে রাজনৈতিক অচলাবস্থা তৈরি হলে বিনিয়োগকারীদের আস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়লে বাড়ে রাজনৈতিক অসন্তোষ

ফ্রান্সে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, জনসেবার মান এবং সরকারি ব্যয় সংকোচন নিয়ে অসন্তোষ বিক্ষোভের পেছনে ভূমিকা রাখছে। জ্বালানি, পরিবহন ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়লে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার ওপর চাপ পড়ে। একই সময়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য কিংবা সামাজিক সুরক্ষায় ব্যয় কমানোর উদ্যোগ অসন্তোষ আরও বাড়াতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রেও জীবনযাত্রার ব্যয় রাজনৈতিক বিতর্কের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। রয়টার্সের ২০ অক্টোবরের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে প্রকাশিত তথ্যে বলা হয়েছে, কানসাসে নির্বাচনী সমাবেশে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থকদের মধ্যেও জ্বালানি ও ডিজেলের দাম নিয়ে উদ্বেগ দেখা গেছে। কৃষকেরা শুল্কনীতি ও বাজার পরিস্থিতি নিয়েও অসন্তোষ জানিয়েছেন। মোটরচালকদের সংগঠন এএএর তথ্য অনুযায়ী, কানসাসে পেট্রলের দাম আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৪৫ শতাংশ বেশি ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অর্থনীতি নিয়ে সরকারের বক্তব্যের সঙ্গে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন অভিজ্ঞতার ব্যবধান তৈরি হলে সরকারের ওপর আস্থা কমতে পারে। আর্থিক অনিশ্চয়তা থেকে জন্ম নেওয়া ক্ষোভ রাজনৈতিক মেরুকরণকে আরও তীব্র করতে পারে।

ট্রাম্পের বক্তব্যে ফ্রান্সের প্রসঙ্গ

ফ্রান্সের অস্থিরতা যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯ অক্টোবর কানসাসে রিপাবলিকান সিনেটর রজার মার্শালের পক্ষে নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করেন, ডেমোক্র্যাটরা ক্ষমতায় এলে যুক্তরাষ্ট্রেও ফ্রান্সের মতো সহিংস পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

তবে প্রতিবেদনে ট্রাম্পের এ আশঙ্কার পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপনের কথা উল্লেখ করা হয়নি। তিনি ফ্রান্সের সহিংস বিক্ষোভকে ডেমোক্র্যাটদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক যুক্তি হিসেবে ব্যবহার করেন। একই সমাবেশে অভিবাসন ও মুসলিমদের নিয়েও আক্রমণাত্মক বক্তব্য দেন তিনি।

ফ্রান্সের পরিস্থিতি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে আলোচনা করা যায়। কিন্তু কোনো রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী বিজয়ই সহিংসতা নিশ্চিত করবে—এমন দাবি তথ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত নয়। ফলে ট্রাম্পের বক্তব্যকে নিরাপত্তা নিয়ে সতর্কতার পাশাপাশি মধ্যবর্তী নির্বাচনকেন্দ্রিক রাজনৈতিক প্রচারণার অংশ হিসেবেও বিবেচনা করা যেতে পারে।

গণতন্ত্রের কার্যকারিতা নিয়ে অসন্তোষ

অর্থনৈতিক চাপের পাশাপাশি গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও রাজনৈতিক ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাও দুই দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হয়ে উঠেছে।

পিউ রিসার্চ সেন্টারের ১০ জুন ২০২৬ প্রকাশিত জরিপ অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্স—দুই দেশেই ৬৯ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মনে করেন, তাঁদের দেশে গণতন্ত্র যেভাবে কাজ করছে, তাতে তাঁরা অসন্তুষ্ট। ১৬টি উচ্চ আয়ের দেশের ওপর পরিচালিত জরিপে যুক্তরাষ্ট্রে গণতন্ত্র নিয়ে সন্তুষ্টির হার ২০২৫ সালের ৩৭ শতাংশ থেকে কমে ২০২৬ সালে ৩০ শতাংশে নেমে আসে।

এ পরিসংখ্যান দুই দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে জনমনে হতাশার চিত্র তুলে ধরে। তবে গণতন্ত্রের কার্যক্রম নিয়ে অসন্তুষ্টি মানেই মানুষ গণতন্ত্রের বিরোধী—এমন নয়। অনেক ক্ষেত্রে নাগরিকেরা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে সমর্থন করলেও নির্বাচিত সরকার তাঁদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারছে না বলে মনে করেন।

এ ধরনের অসন্তোষ দীর্ঘস্থায়ী হলে রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান ও নেতৃত্বের প্রতি আস্থা নিয়ে বিতর্ক বাড়তে পারে। তবে জরিপের ফল ভবিষ্যতে দাঙ্গা, রাজনৈতিক সহিংসতা কিংবা আর্থিক বিপর্যয় ঘটবেই—এমন পূর্বাভাস দেয় না।

গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের ভারসাম্য নিয়েও উদ্বেগ

যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্র নিয়ে উদ্বেগের আরেকটি দিক হলো নির্বাহী ক্ষমতার ওপর নিয়ন্ত্রণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য।

পিউ রিসার্চ সেন্টারের ১৫ এপ্রিল ২০২৬ প্রকাশিত বিশ্লেষণে ভি-ডেম ইনস্টিটিউট, ফ্রিডম হাউস ও ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের মূল্যায়ন তুলে ধরা হয়। ওই বিশ্লেষণ অনুযায়ী, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক অবস্থানের অবনতি দেখা গেছে। ভি-ডেমের উদার গণতন্ত্র সূচকে ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের স্কোর ০.৫৭-তে নেমে আসে, যা ওই মূল্যায়নে ১৯৬৫ সালের পর সর্বনিম্ন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

রাজনৈতিক বিভাজন এমন পর্যায়ে পৌঁছালে, যখন প্রতিপক্ষকে বৈধ রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মেনে নেওয়ার প্রবণতা কমে যায়, তখন নির্বাচনের ফল, আদালতের সিদ্ধান্ত ও সরকারি নীতির প্রতি আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

তবে গণতান্ত্রিক সূচকের অবনতি থেকেই যুক্তরাষ্ট্রে ফ্রান্সের মতো বিক্ষোভ বা দাঙ্গা ঘটবে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না। এসব মূল্যায়ন মূলত প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকারিতা, জবাবদিহি ও ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়ে সতর্ক হওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে।

কেন দুই দেশের পরিস্থিতি এক নয়

ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ঋণের চাপ ও রাজনৈতিক বিভাজনের মিল থাকলেও তাদের অর্থনৈতিক কাঠামো আলাদা। ফ্রান্স ইউরোজোনের সদস্য হওয়ায় দেশটির আর্থিক পরিস্থিতি ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতি, ইউরোজোনের ঋণবাজার এবং ইউরোপীয় অর্থনৈতিক কাঠামোর সঙ্গে সম্পর্কিত।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র নিজস্ব মুদ্রা ডলারের বৈশ্বিক গুরুত্ব থেকে সুবিধা পায়। আন্তর্জাতিক বাজারে মার্কিন সরকারি ঋণপত্রের ব্যাপক ব্যবহার দেশটির অর্থায়নের সুযোগ বাড়ায়। ফলে ঋণের চাপ থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক নীতির পরিসর ফ্রান্সের মতো নয়।

তবে ডলারের বৈশ্বিক অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রকে সব ধরনের আর্থিক ঝুঁকি থেকে রক্ষা করবে—এমন নিশ্চয়তা নেই। ঋণের সুদ বাড়তে থাকলে, বাজেট নিয়ে রাজনৈতিক সমঝোতা ব্যর্থ হলে কিংবা প্রবৃদ্ধি দুর্বল হয়ে পড়লে দেশটিকেও কঠিন আর্থিক সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে।

সামনে কী অপেক্ষা করছে

যুক্তরাষ্ট্র ফ্রান্সের মতো একই বিপদের মুখে কি না, তা নির্ভর করছে কোন ধরনের সংকটের কথা বলা হচ্ছে তার ওপর। সরকারি ঋণ, বাজেট নিয়ন্ত্রণ, জীবনযাত্রার ব্যয় ও রাজনৈতিক সমঝোতার ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে মিল রয়েছে। কিন্তু অর্থনৈতিক কাঠামো ও আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থায় অবস্থানের কারণে তাদের ঝুঁকি এক নয়।

ঋণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পরিকল্পনা, জনসেবার মান বজায় রাখা, মানুষের ক্রয়ক্ষমতা রক্ষা এবং রাজনৈতিক বিরোধের মধ্যেও সমঝোতা তৈরি করতে পারলে সংকটের চাপ সামাল দেওয়া সম্ভব। বিপরীতে, অর্থনৈতিক সমস্যা ও জনঅসন্তোষ দীর্ঘদিন অমীমাংসিত থাকলে রাজনৈতিক সংকট আরও গভীর হতে পারে।

সব মিলিয়ে, ফ্রান্সের অভিজ্ঞতা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সতর্কবার্তা হতে পারে। কিন্তু ফ্রান্সে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রেও তা অবধারিতভাবে ঘটবে—এমন প্রমাণ নেই। ডলারের বৈশ্বিক অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রকে বাড়তি সুযোগ দিলেও রাজনৈতিক সমঝোতা, অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের কার্যকারিতাই শেষ পর্যন্ত সংকট মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad