এই জয়ে রিয়ালের বিপক্ষে নিজেদের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ব্যবধানের জয় পেয়েছে বার্সেলোনা। একই সঙ্গে লিগ টেবিলের শীর্ষস্থানও দখল করেছে তারা। ৬ ম্যাচ শেষে বার্সার পয়েন্ট ১৮। অন্যদিকে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে পাঁচ পয়েন্ট পিছিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ।
শুরুতেই পিনার গোলম্যাচের শুরু থেকেই রিয়ালকে চাপে রাখে বার্সেলোনা। উচ্চপ্রেসিং, নিখুঁত পাসিং এবং বল দখলের মাধ্যমে প্রতিপক্ষকে নিজেদের অর্ধে আটকে রাখে তারা। ম্যাচের মাত্র চতুর্থ মিনিটেই এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা।
বক্সের কিনারায় বল পেয়ে ভেতরে ঢুকে বাঁ পায়ের শটে রিয়ালের গোলরক্ষক ফ্রোমসকে পরাস্ত করেন পিনা।
এরপর দ্বিতীয় গোলের সুযোগও তৈরি করে বার্সা। তবে কাছ থেকে গিহারোর শট ঠেকিয়ে রিয়ালকে আপাতত রক্ষা করেন ক্রিস্তোবাল।
পিনার হ্যাটট্রিক, বার্সার ঝড়ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করলেও রিয়ালের আক্রমণভাগ বার্সেলোনার রক্ষণ ভাঙতে পারেনি। শ্রোডার ও কাইসেদোর মতো গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়রাও পুরো ম্যাচে নিজেদের মেলে ধরতে পারেননি।
এরপর পাল্টা আক্রমণ থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করে বার্সা। বাইয়োরের প্রথম শট প্রতিহত হলে ফিরতি বলে গোল করেন পিনা। কিছুক্ষণ পর গিহারোর সঙ্গে ওয়ান-টু পাসে রিয়ালের রক্ষণ ভেঙে নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন তিনি।
চতুর্থ গোলটি আসে গ্রাহামের পা থেকে। বাইয়োরের সঙ্গে পাস বিনিময় করে রিয়ালের ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে বল জালে পাঠান তিনি।
প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগে পিনা নিজের চতুর্থ গোল করেন। বাইয়োরের সঙ্গে বোঝাপড়ার পর এক টাচে রিয়ালের ডিফেন্ডারদের কাটিয়ে গোল করেন তিনি। এতে বিরতিতে ৫-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় বার্সেলোনা।
দ্বিতীয়ার্ধেও গোলের ধারাবিরতির পরও আক্রমণের ধার কমায়নি বার্সা। গিহারোর লম্বা পাস থেকে গ্রাহাম গোলের সামনে পৌঁছে বল সাজিয়ে দেন বাইয়োরের জন্য। সেখান থেকে ম্যাচের ষষ্ঠ গোল করেন বাইয়োর।
এরপর সপ্তম গোলটিও আসে দারুণ এক শটে। বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের শক্তিশালী শটে রিয়ালের গোলরক্ষক ফ্রোমসকে পরাস্ত করেন শের্টেনলাইব।
শেষ পর্যন্ত ৭-০ গোলের বড় জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে বার্সেলোনা। চার গোল করে ম্যাচের সবচেয়ে উজ্জ্বল তারকা ছিলেন ক্লাউদিয়া পিনা।
আগামী ১৮ অক্টোবর পরবর্তী ম্যাচে রিয়াল সোসিয়েদাদের মুখোমুখি হবে বার্সেলোনা। একই দিনে রিয়াল মাদ্রিদ খেলবে এস্পানিওলের বিপক্ষে।

প্রথম দর্পণ,স্পোর্টস ডেক্স