বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
এনবিআরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত সার্কেল, এয়ারপোর্টের (এ-শিফট) কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে সতর্ক অবস্থান নেন। এ সময় দুবাই থেকে আসা এমিরেটসের একটি ফ্লাইটের যাত্রী রোমান মিকাইলভ গ্রিন চ্যানেল অতিক্রম করার সময় তার সব ব্যাগেজ স্ক্যান করা হয়। পরে তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে ৭৮ দশমিক ৫০ লিটার বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিদেশি মদ পাওয়া যায়।
বিদেশি পাসপোর্টধারী ওই যাত্রীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ব্যাগেজ বিধিমালা অনুযায়ী এক লিটার মদ শুল্কমুক্তভাবে আমদানির সুযোগ রয়েছে। ফলে অনুমোদিত এক লিটার বাদে বাকি ৭৭ দশমিক ৫০ লিটার মদ আটক করা হয়।
অন্যদিকে, গত ২৯ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে তুর্কিশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে আসা যাত্রী সামিউল ইসলাম গ্রিন চ্যানেল অতিক্রমের সময় তার ব্যাগেজ স্ক্যান করা হয়। পরে তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে আরও চার লিটার বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিদেশি মদ পাওয়া যায়। এসব মদও আটক করা হয়েছে।
দুই ঘটনায় অনুমোদিত এক লিটার বাদ দিয়ে মোট ৮১ দশমিক ৫০ লিটার বিদেশি মদ জব্দ করা হয়েছে। এর আনুমানিক বাজারমূল্য ১৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানিয়েছে, গ্রিন চ্যানেলসহ বিমানবন্দরের বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টে গোপন তথ্য, যাত্রী প্রোফাইলিং এবং নিবিড় নজরদারির মাধ্যমে চোরাচালান ও ব্যাগেজ সুবিধার অপব্যবহার প্রতিরোধে তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

প্রথম দর্পণ অনলাইন,ডেক্স