শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাত ১টা ৪৭ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে হামিম দাবি করেন, ২০১৪ সালে, অর্থাৎ তিনি অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময় ব্যবহৃত ওই আইডির পোস্টকে কেন্দ্র করে তাঁর বিরুদ্ধে গুজব ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
হামিম লেখেন, ‘ক্লাস ৮, তাও ২০১৪ সাল। আজ থেকে ১২ বছর আগের আইডি। সেটা নিয়ে গুজবকর্মে নেমেছে সাবেক ছাত্রলীগ ওরফে ইসলামী ছাত্রশিবির।’
কী ছিল ভাইরাল পোস্টেসামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি স্ক্রিনশটে হামিমের পুরোনো পোস্ট দেখা যায়। এসব পোস্টে একসময় ইসলামী ছাত্রশিবিরের পক্ষে তিনি লিখেছিলেন বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে ভাইরাল পোস্টগুলোর সত্যতা বা প্রেক্ষাপট স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।
এ বিষয়ে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে হামিম বলেন, পুরোনো একটি পোস্টে তৎকালীন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদককে ট্যাগ করা হয়েছিল। সেটিকেও অপপ্রচারের অংশ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তাঁর।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, তাঁর ছোট বোনের সঙ্গে তোলা একটি ছবিতেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপত্তিকর মন্তব্য করা হচ্ছে।
পাল্টা স্ক্রিনশট প্রকাশনিজের বক্তব্যের সঙ্গে হামিম কয়েকটি স্ক্রিনশটও প্রকাশ করেন। সেসব স্ক্রিনশটে বিএনপি এবং দলটির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের আদর্শের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বিভিন্ন বক্তব্য দেখা যায়।
পুরোনো পোস্ট নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে হামিম ইংরেজিতে ‘CRY More’ লেখেন। স্ট্যাটাসের শেষাংশে তিনি বলেন, ‘যখন আমরা প্রকাশ্যে এসব বলি, তোমরা তখন লীগের মিছিলে স্লোগান দিতে।’
তবে হামিমের অভিযোগের বিষয়ে ইসলামী ছাত্রশিবিরের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। ফলে ভাইরাল পুরোনো পোস্টগুলোর প্রেক্ষাপট ও এ নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য—দুই পক্ষের অবস্থানই আলাদাভাবে বিবেচনার বিষয়।
তথ্যসূত্র: যুগান্তর, স্টার নিউজ, এনপিবি ও কালবেলার প্রতিবেদন; শেখ তানভীর বারী হামিমের ভেরিফায়েড ফেসবুক স্ট্যাটাস।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক