আওয়ামী লীগের দোসর গ্রেপ্তারে পুলিশকে পুরস্কার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১৩ বিকাল
  • ৩৫৬৮ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও কথিত ‘ফ্যাসিবাদী শক্তির’ দোসরদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশকে গোয়েন্দা তথ্য কাজে লাগানোর নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে এ ধরনের ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে ভূমিকা রাখা পুলিশ সদস্যদের পুরস্কৃত করার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

গোয়েন্দা তথ্য কাজে লাগানোর নির্দেশ

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের, আওয়ামী শক্তির দোসরদের’ আইনের আওতায় আনতে পারলে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের পুরস্কৃত করা হবে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহে এ ধরনের দুজন এবং ২৫ সেপ্টেম্বর আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশের গোয়েন্দা সক্ষমতা ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, এতদিন এসব ব্যক্তি দেশের ভেতরেই লুকিয়ে ছিলেন। তাদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে পুলিশের গোয়েন্দা সহায়তা যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হবে। অন্য সংস্থার গোয়েন্দা সহায়তার সঙ্গে তুলনা করে পুলিশের গোয়েন্দা সক্ষমতাকে তিনি গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন।

শৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে কঠোর ব্যবস্থা

দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে এমন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, কেউ শৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে কিংবা ‘ফ্যাসিবাদী শক্তির’ দোসরদের গোপনে সহায়তা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলাও করা হতে পারে বলে সতর্ক করেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রয়োজন, শৃঙ্খলা রক্ষা এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে পুলিশকে কঠোর হতে হবে। তৃণমূল পর্যায় থেকে আইজিপি পর্যন্ত পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে তিনি নিজেদের সংশোধন করে দায়িত্ব পালনের বার্তা দেন।

জনআস্থা অর্জনে পুলিশের ভূমিকা

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় পুলিশের ভূমিকা অনস্বীকার্য। রাষ্ট্রের দৃশ্যমান প্রতিষ্ঠান হিসেবে জনগণের সঙ্গে পুলিশের সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে। কোনো নাগরিক অপরাধের শিকার হলে বা নিরাপত্তাহীনতা অনুভব করলে প্রথমেই পুলিশের কাছে যান।

পুলিশের দায়িত্ব শুধু অপরাধী গ্রেপ্তার বা আইন প্রয়োগে সীমাবদ্ধ নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানুষের নিরাপত্তা, অধিকার ও মর্যাদা এবং রাষ্ট্রের প্রতি নাগরিকের আস্থার বিষয়টিও পুলিশের দায়িত্বের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত।

আধুনিক ও পেশাদার পুলিশ বাহিনী গড়ার লক্ষ্য

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার এমন একটি পুলিশ বাহিনী গড়ে তুলতে চায়, যা দক্ষতা ও পেশাদারত্বে আধুনিক, প্রযুক্তিতে সক্ষম, আচরণে মানবিক, আইন প্রয়োগে দৃঢ় এবং দায়িত্ব পালনে নিরপেক্ষ হবে। একই সঙ্গে জনগণের আস্থা ও নির্ভরতার প্রতীক হিসেবে পুলিশকে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

পুলিশ সপ্তাহের বিভিন্ন কর্মসূচিতে পুলিশকে আধুনিক, দক্ষ ও জনবান্ধব বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে।





কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad