শি জিনপিংকে শিকে প্রথা ভেঙে স্বাগত ট্রাম্পের, বাণিজ্য সমঝোতায় নজর

  • প্রথম দর্পণ,আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৪১ দুপুর
  • ২৭৫৮ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg
তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে পৌঁছেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। স্থানীয় সময় বুধবার মেরিল্যান্ডের জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে পৌঁছালে প্রচলিত প্রটোকল ভেঙে বিমানঘাঁটিতে তাকে স্বাগত জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প। শির সঙ্গে ছিলেন তার স্ত্রী পেং লিউয়ান।

প্রায় তিন বছর পর ওয়াশিংটন সফরে গেলেন শি জিনপিং। বাণিজ্য, প্রযুক্তি, তাইওয়ান ও ইরান ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই তার এই সফরকে চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে। খবর রয়টার্সের

শি জিনপিং বিমান থেকে নামার পর দুই দেশের প্রেসিডেন্ট ও তাদের স্ত্রীরা পরস্পরের সঙ্গে করমর্দন করেন। কয়েক মিনিট দাঁড়িয়ে কথা বলার পাশাপাশি তারা ছবি তোলেন। এ সময় সামরিক ব্যান্ডে বাদ্য বাজানো হয়, কামানের গোলার শব্দ শোনা যায় এবং আকাশে উড়ে যায় বি-১ বোমারু বিমান।

ওয়াশিংটনভিত্তিক সম্প্রচারমাধ্যম সি-স্প্যানের তথ্যানুযায়ী, প্রায় ১১ বছর পর কোনো বিদেশি রাষ্ট্রনেতাকে জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে স্বাগত জানালেন কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এর আগে ২০১৫ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা সেখানে পোপ ফ্রান্সিসকে স্বাগত জানিয়েছিলেন।

বাণিজ্য সমঝোতার মেয়াদ বাড়ানোর আলোচনা

শির সফরে বড় কোনো অর্জন হবে—এমন প্রত্যাশা কম থাকলেও ১১ মাস ধরে চলা যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্য সমঝোতার মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে অগ্রগতি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, চীনের সঙ্গে বাণিজ্য সমঝোতার মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে দুই দেশ একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে। ফক্স নিউজের ‘স্পেশাল রিপোর্ট’ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, সমঝোতার মেয়াদ নতুন করে আগামী ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হবে। বর্তমান মেয়াদ আগামী ১০ নভেম্বর শেষ হওয়ার কথা ছিল।

তবে এ বিষয়ে ওয়াশিংটনে চীনা দূতাবাসের তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। শি জিনপিংকে উদ্ধৃত করে দূতাবাসের প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, অংশীদার হওয়া উচিত।’ তবে বিবৃতিতে বাণিজ্যচুক্তির বিষয়ে কোনো উল্লেখ করা হয়নি।

মতবিরোধ এখনো বহাল

বাণিজ্য সমঝোতার সম্ভাব্য অগ্রগতির পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মতবিরোধ রয়েছে। বিরল খনিজ ও কম্পিউটার চিপ রপ্তানিতে নিয়ন্ত্রণ, ইরানের সঙ্গে চীনের সম্পর্ক এবং তাইওয়ানকে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন—এসব বিষয়ে ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের অবস্থান পরস্পরবিরোধী।

বৈঠকে শি জিনপিং তাইওয়ানের ওপর চীনের দাবির বিষয়টি নতুন করে তুলে ধরতে পারেন বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। তবে ওয়াশিংটন বিষয়টি এড়িয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে শির আপত্তি থাকলেও চীনের ওপর পণ্য রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ কঠোর রাখার অবস্থান যুক্তরাষ্ট্র বজায় রাখতে পারে।

ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যের




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad