বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) প্রকাশিত বিআরটিএ চেয়ারম্যানের বিবেচ্যপত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে দৈনিক যুগান্তর।
দেশে নিবন্ধিত মোটরসাইকেল প্রায় ৫০ লাখবিআরটিএর তথ্য অনুযায়ী, দেশে নিবন্ধিত মোটরযানের সংখ্যা প্রায় ৬৮ লাখ। এর মধ্যে মোটরসাইকেল প্রায় ৫০ লাখ, যা মোট নিবন্ধিত মোটরযানের প্রায় ৭৪ শতাংশ। এত বিপুলসংখ্যক মোটরসাইকেলের সামনের অংশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেট সংযোজন সম্পন্ন করা কঠিন বলে বিবেচ্যপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ছাড়া নম্বরপ্লেট সংযোজনের সময়সীমা নিয়ে মোটরসাইকেল মালিকদের বিভিন্ন মতামত ও মন্তব্য গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। এসব দিক বিবেচনায় নিয়ে ১৫ নভেম্বরের পরিবর্তে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় বাড়ানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে।
নম্বরপ্লেটের আকার ও রং নির্ধারণএর আগে বিআরটিএর এক গণবিজ্ঞপ্তিতে মোটরসাইকেলের সামনের অংশে ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেট সংযোজন ও প্রদর্শনের জন্য ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮ এবং সড়ক পরিবহণ বিধিমালা, ২০২২ অনুযায়ী মোটরসাইকেলের পেছনে কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত আরএফআইডিসহ উন্নতমানের রেট্রো-রিফ্লেক্টিভ ধাতব প্লেটে নিবন্ধন নম্বর প্রদর্শনের বিধান রয়েছে। এর পাশাপাশি মোটরসাইকেলের সামনের অংশেও নিবন্ধন নম্বর প্রদর্শনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, স্কুটারের সামনের নম্বরপ্লেটের দৈর্ঘ্য ২০০ মিলিমিটার ও প্রস্থ ১০০ মিলিমিটার হতে হবে। অন্যান্য মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে প্লেটের দৈর্ঘ্য ২৮৫ মিলিমিটার ও প্রস্থ ৫০ মিলিমিটার নির্ধারণ করা হয়েছে। উভয় ধরনের প্লেটে অক্ষর ও সংখ্যার উচ্চতা কমপক্ষে ২০ মিলিমিটার হতে হবে।
প্লেটে নকশা ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞানম্বরপ্লেটটি স্টেইনলেস স্টিল অথবা অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি হতে হবে। সাদা পটভূমিতে কালো রঙে বাংলা অক্ষর ও সংখ্যা লিখতে হবে। প্লেটে কোনো শোভাবর্ধক উপাদান বা নকশা ব্যবহার করা যাবে না। স্কুটার ছাড়া অন্যান্য মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে নিবন্ধন নম্বর একটি আনুভূমিক রেখায় প্রদর্শন করতে হবে।
প্রাথমিক পর্যায়ে মোটরসাইকেল মালিকদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় নির্ধারিত শর্ত মেনে সামনের নম্বরপ্লেট সংযোজন করতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দেশনা বাস্তবায়ন না করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বিআরটিএর গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছিল।
তবে সময়সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে কি না, সে বিষয়ে প্রকাশিত তথ্যে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়নি।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক