শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে জেলা পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
পুলিশ জানায়, গত ১৮ মে সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন সালমান। পরদিন তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে হোসেনপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। দীর্ঘ তদন্ত ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ জানতে পারে, তাঁকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
পরে সালমানের বাবা ফজলুর রহমান বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। মামলার তদন্তে অভিযান চালিয়ে সাকিব (১৮), মাফি (১৫), রফিক (৪০) ও রমজান মিয়া (৩৫) নামে চারজনকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হত্যার পর মরদেহ নরসুন্ধা নদীতে কচুরিপানার নিচে লুকিয়ে রাখার কথা জানিয়েছেন। তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নদীতে অভিযান চালিয়ে একটি গেঞ্জি, মাথার খুলি, বুকের পাঁজরসহ শরীরের বিভিন্ন অংশের ৭৭টি হাড় উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার হওয়া গেঞ্জি দেখে সালমানের বাবা প্রাথমিকভাবে সেটি তাঁর ছেলের বলে শনাক্ত করেন। তবে কঙ্কালের পরিচয় নিশ্চিত করতে উদ্ধার করা অংশগুলো ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক