শাল্লায় ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী পদে বিতর্কিতদের নিয়োগ বাতিল

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২০ দুপুর
  • ৩৬৭৭ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg ফ্যামিলি কার্ডে
সুনামগঞ্জের শাল্লায় ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার পদে নিয়োগ পাওয়া বিতর্কিত ব্যক্তিদের নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে দৈনিক আমার দেশে সংবাদ প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ সিদ্ধান্ত নেয়। বাতিল হওয়া পদগুলোতে নতুন করে ছয়জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

গত ১৪ আগস্ট ‘শাল্লায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের নিয়োগ’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে আমার দেশ। ওই প্রতিবেদনে নিয়োগপ্রাপ্ত কয়েকজনের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা, যোগ্যতা ও দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা নিয়ে ওঠা অভিযোগ তুলে ধরা হয়।

ছয় পদে নতুন নিয়োগ

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আগের নিয়োগপ্রাপ্তদের পরিবর্তে তথ্য সংগ্রহকারী পদে পাঁচজন এবং সুপারভাইজার পদে একজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে তথ্য সংগ্রহকারী পদে মাসুকুল ইসলামের পরিবর্তে মাসুম বিল্লাহ, সৌরভ সমাজপতির পরিবর্তে সোবেল আহমেদ, তুহিন মিয়ার পরিবর্তে হাজিরুল ইসলাম, জুয়েল দাশের পরিবর্তে বন্যা রানী সরকার এবং পাম্পী সরকারের পরিবর্তে রেমী রানী সরকার জুঁইকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এ ছাড়া সুপারভাইজার সুজন আহমেদ প্রবাসে চলে যাওয়ায় তার স্থলে আশিকুর রহমান আশিককে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

যোগ্যতা ও দক্ষতা যাচাইয়ের ওপর গুরুত্ব

ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগে প্রার্থীদের যোগ্যতা, দক্ষতা ও নিরপেক্ষতা যথাযথভাবে যাচাই করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে প্রশ্ন ওঠে। এ ধরনের কর্মসূচিতে তথ্য সংগ্রহে ভুল বা পক্ষপাতিত্ব হলে প্রকৃত সুবিধাভোগীরা সরকারি সহায়তা থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

ফ্যামিলি কার্ড স্বেচ্ছাসেবী তথ্য সংগ্রহ কমিটির সদস্যসচিব ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা বিশ্বপতি চক্রবর্তী বলেন, “যাদের অযোগ্য বা অদক্ষ বলে মনে হয়েছে, তাদের নিয়োগ বাতিল করে যোগ্য ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।”

কয়েকটি ইউনিয়নে কার্যক্রম শুরু

বিশ্বপতি চক্রবর্তী জানান, শাল্লা ইউনিয়নের ১, ৩ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পাশাপাশি বাহাড়া ও হবিবপুর ইউনিয়নেও কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে কোনো ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। নীতিমালা অনুযায়ী প্রকৃত উপকারভোগীদের এ কর্মসূচির আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad