বিদ্যালয়ে যাওয়ার পর আর ফেরেনি
পরিবারের সদস্যদের বরাতে জানা যায়, গত ১১ অক্টোবর সকাল ১১টার দিকে লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ইয়াংছা এলাকা থেকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাড়া করে চকরিয়ার মানিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের উদ্দেশে রওনা দেয় তিন শিক্ষার্থী। তাদের উদ্দেশ্য ছিল আগের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে রেজিস্ট্রেশন কার্ড সংগ্রহ করা।
নিখোঁজ রেশমি জন্নাত লামার ইয়াংছা বনফুর এলাকার শহিদুল ইসলামের মেয়ে। হালিমাতুস সাদিয়া একই ইউনিয়নের ইয়াংছা বদুরঝিরি এলাকার বেলাল উদ্দিনের মেয়ে। আর তানিয়া সোলতানা ইয়াংছা এলাকার আবুল হাশেমের মেয়ে। রেশমি ও সাদিয়া আপন খালাতো বোন। তানিয়া তাদের প্রতিবেশী। তিনজনই ইয়াংছা উচ্চ বিদ্যালয়ের যথাক্রমে নবম, অষ্টম ও সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
পরিবারের উদ্বেগ, থানায় জিডি
নিখোঁজ দুই শিক্ষার্থীর বড় মামা মোহাম্মদ আলমগীর জানান, ১১ অক্টোবর সন্ধ্যা পর্যন্ত তারা বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা প্রথমে ধারণা করেছিলেন, হয়তো আগের সহপাঠীদের কারও বাড়িতে রাত কাটিয়ে পরদিন ফিরবে। কিন্তু ১২ অক্টোবর দুপুরেও তারা বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। এরপর সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নেওয়া হলেও তাদের সন্ধান পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় ১৩ অক্টোবর সন্ধ্যায় নিখোঁজ তিন শিক্ষার্থীর পরিবারের পক্ষ থেকে লামা থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। এরপর পুলিশ তাদের সন্ধানে কাজ শুরু করে।
সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করছে পুলিশ
মোহাম্মদ আলমগীর জানান, জিডি করার পরপরই পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। লামার ইয়াংছা থেকে চকরিয়ার মানিকপুর উচ্চ বিদ্যালয় এবং সেখান থেকে চকরিয়া পৌর সদর পর্যন্ত সড়কের বিভিন্ন মোড়ে স্থাপিত সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে নিখোঁজ শিক্ষার্থীদের অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
১৫ অক্টোবর সকাল ৯টা পর্যন্ত পুলিশ তাদের কোনো সন্ধান পায়নি বলে জানান তিনি।
নিখোঁজ তিন শিক্ষার্থীর সন্ধান পেলে থানা পুলিশ অথবা তাঁদের পরিবারের সদস্যদের জানানোর জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন স্বজনরা।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক