সোমবার (৫ অক্টোবর) সকাল ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে আইকিউএয়ারের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ৩৮৯ স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকার শীর্ষে রয়েছে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি। ১৮২ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে ঢাকা।
তালিকায় ১৭২ স্কোর নিয়ে ভারতের কলকাতা তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। ১৬৭ স্কোর নিয়ে যৌথভাবে চতুর্থ ও পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা ও পাকিস্তানের লাহোর। এরপর ১৫৮ স্কোর নিয়ে ষষ্ঠ অবস্থানে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর এবং ১৫২ স্কোর নিয়ে সপ্তম অবস্থানে বাহরাইনের মানামা।
এ ছাড়া ১৪৯ স্কোর নিয়ে মালয়েশিয়ার কুচিং অষ্টম এবং একই স্কোর নিয়ে সিঙ্গাপুর নবম অবস্থানে রয়েছে। ১৪২ স্কোর নিয়ে কাতারের দোহা রয়েছে তালিকার দশম স্থানে।
সূক্ষ্ম কণাই ঢাকার বাতাসের বড় ঝুঁকিআইকিউএয়ারের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার বায়ুদূষণের অন্যতম প্রধান কারণ পিএম ২.৫ বা অতিক্ষুদ্র সূক্ষ্ম কণা। ২.৫ মাইক্রোমিটারের কম ব্যাসের এসব কণা শ্বাসের সঙ্গে ফুসফুসের গভীরে প্রবেশ করতে পারে। এমনকি তা রক্তপ্রবাহেও মিশে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
দীর্ঘসময় এ ধরনের দূষিত বাতাসে থাকলে হাঁপানি, ব্রঙ্কাইটিসসহ বিভিন্ন শ্বাসতন্ত্রের রোগ এবং হৃদ্রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
কোন মাত্রার বাতাস কেমনবায়ুমান সূচক (এপিআই) ৫০-এর নিচে থাকলে বাতাসকে ভালো বা বিশুদ্ধ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ৫১ থেকে ১০০ পর্যন্ত তা সহনীয়। ১০১ থেকে ১৫০ হলে সংবেদনশীল মানুষের জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে ধরা হয়। ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত হলে বাতাস সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর। ২০১ থেকে ৩০০ পর্যন্ত এ মাত্রাকে খুব অস্বাস্থ্যকর এবং ৩০০-এর বেশি হলে দুর্যোগপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বায়ুদূষণের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি ও শ্বাসতন্ত্রের রোগে আক্রান্তদের বাড়তি সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, গৃহস্থালি ও পারিপার্শ্বিক বায়ুদূষণের সম্মিলিত প্রভাবে বিশ্বে প্রতিবছর প্রায় ৬৭ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়।
তথ্যসূত্র: আইকিউএয়ার ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক