যমুনার ভাঙনে হুমকিতে বেড়ার ৩৩ কেভি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪১ দুপুর
  • ৩১৫০ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg ছবি: সংগৃহীত
পাবনার বেড়া উপজেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া যমুনা নদীতে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে হুমকির মুখে পড়েছে কল্যাণপুরের ৩৩ কেভি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র ও সঞ্চালন লাইন। নদীভাঙনে ইতোমধ্যে উপজেলার নতুন ভারেঙ্গা ও পুরান ভারেঙ্গা ইউনিয়নের অন্তত পাঁচটি গ্রামের বসতভিটা, ফসলি জমি ও গাছপালাসহ বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ফলে নদীতীরবর্তী হাজারো মানুষের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত এক সপ্তাহে চরকল্যাণপুর, চর সিংহাসন, বক্তারপুর ও নেউলাইপাড়া এলাকায় ব্যাপক ভাঙন হয়েছে। এতে শত শত বিঘা ফসলি জমি, বসতবাড়ি ও গাছপালা নদীতে বিলীন হয়েছে।

ভাঙনের কারণে গত মঙ্গলবার রাতে কল্যাণপুর এলাকায় ৩৩ কেভি সঞ্চালন লাইনের একটি খুঁটি নদীগর্ভে চলে যায়। এতে বিস্তীর্ণ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় ২২ ঘণ্টা পর ক্ষতিগ্রস্ত সঞ্চালন লাইন মেরামত করে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হয়। তবে নদীভাঙন অব্যাহত থাকায় উপকেন্দ্রটির ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন স্থানীয় বাসিন্দারা।

কল্যাণপুর ৩৩ কেভি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রের লাইন টেকনিশিয়ান মো. আলাউদ্দিন বলেন, আকস্মিক ভাঙনে ৩৩ কেভি উপকেন্দ্রের ট্রান্সফরমারসহ একটি খুঁটি নদীতে বিলীন হয়ে যায়। এতে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল। বর্তমানে যমুনা নদী উপকেন্দ্র থেকে ২৫০ মিটারের মধ্যে চলে এসেছে। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে উপকেন্দ্রটি বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।

স্থানীয় বাসিন্দা বুলবুল হাসান বলেন, প্রতিবছর ভাঙন শুরু হলে পানি উন্নয়ন বোর্ড জিও ব্যাগ ও বালুর বস্তা ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করে। তবে এসব উদ্যোগে স্থায়ী সমাধান হয় না বলে অভিযোগ করেন তিনি।

বেড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. হায়দার আলী বলেন, কল্যাণপুরসহ কয়েকটি এলাকায় যমুনার তীরবর্তী অঞ্চলে ভাঙনের খবর পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। দ্রুতই নদীভাঙন রোধে কাজ শুরু হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad