বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ মাসিক পরিসংখ্যানে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৭৫৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার। সেই হিসাবে চলতি অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১০০ কোটি ৫০ লাখ ডলার বা ১৩ দশমিক ৩ শতাংশ।
সেপ্টেম্বরে ২৭৬ কোটি ৬০ লাখ ডলারচলতি অর্থবছরের তৃতীয় মাস সেপ্টেম্বরে ২৭৬ কোটি ৬০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। আগের বছরের সেপ্টেম্বরে এসেছিল ২৬৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার। এক বছরের ব্যবধানে এ মাসে প্রবাসী আয় বেড়েছে প্রায় ৮ কোটি ডলার।
এর আগে জুলাইয়ে দেশে ২৮৬ কোটি ডলার এবং আগস্টে ২৯৬ কোটি ৬৬ লাখ ডলার রেমিট্যান্স আসে। ফলে প্রথম তিন মাসে মোট প্রবাসী আয় দাঁড়িয়েছে ৮৫৯ কোটি ১০ লাখ ডলারে।
প্রতি ডলার ১২৩ টাকা হিসাবে সেপ্টেম্বরে আসা ২৭৬ কোটি ৬০ লাখ ডলারের মূল্য প্রায় ৩৪ হাজার কোটি টাকা।
রেমিট্যান্সে রেকর্ডবাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার অন্যতম প্রধান উৎস প্রবাসী আয়। সর্বশেষ ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশে বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স এসেছে ৩ হাজার ৫৫৯ কোটি মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরে এর পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ৩২ কোটি ৯০ লাখ ডলার।
এক বছরের ব্যবধানে রেমিট্যান্স বেড়েছে ৫২৬ কোটি ডলার বা ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ। এটি এক অর্থবছরে দেশে আসা সর্বোচ্চ রেমিট্যান্সের পরিমাণ।
বৈধ চ্যানেলে প্রবাসী আয় বাড়লে দেশে ডলারের সরবরাহ বাড়ে এবং আমদানি ব্যয় পরিশোধ ও বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য রক্ষায় তা ভূমিকা রাখে। হুন্ডি নিরুৎসাহিত করা, প্রবাসীদের জন্য প্রণোদনা এবং ব্যাংকিং সেবা সহজ করার বিভিন্ন উদ্যোগের ফলে বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

প্রথম দর্পণ অনলাইন,ডেক্স