ম্যাচ শুরুর আগে সেভিয়ার দর্শকরা সাক্ষী হন এক আবেগঘন মুহূর্তের। ২০২৬ বিশ্বকাপ জয়ের পর ঘরের মাঠে এটিই ছিল স্পেনের প্রথম ম্যাচ। ম্যাচ শুরুর আগে অধিনায়ক রদ্রি বিশ্বকাপ ট্রফিটি উঁচিয়ে ধরে গ্যালারির দর্শকদের দেখান।
খেলার শুরু থেকেই নিজেদের শক্তির জানান দেয় স্পেন। কিক-অফের মাত্র ৭০ সেকেন্ডের মাথায় বাঁ প্রান্ত থেকে চমৎকার আক্রমণে দলকে ১-০ গোলে এগিয়ে নেন লামিনে ইয়ামাল। প্রথমার্ধের ২৮ মিনিটে ইভান পেরিসিচের ক্রসে হেডে গোল করে ক্রোয়েশিয়াকে সমতায় ফেরান ডিওন দ্রেনা বেল্লো। তবে সেই স্বস্তি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি ক্রোয়াটদের জন্য। তিন মিনিট পরেই শর্ট কর্নার থেকে ফেরমিনের বাড়ানো বল জালে জড়িয়ে স্পেনকে আবারও এগিয়ে দেন মার্ক পিউবিল।
বিরতির পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্ত করে তোলে লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা। ৬৩ মিনিটে পেদ্রির দুর্দান্ত থ্রু পাস ধরে অত্যন্ত কঠিন কোণ থেকে বাঁ পায়ের শটে নিজের দ্বিতীয় ও দলের তৃতীয় গোলটি করেন লামিনে ইয়ামাল। ৬৮ মিনিটে এই তরুণ ফরোয়ার্ডকে যখন মাঠ থেকে তুলে নেওয়া হয়, তখন পুরো স্টেডিয়ামের দর্শকরা তাকে স্ট্যান্ডিং ওভেশন জানান। দুই ম্যাচে এটি তার চতুর্থ গোল-অ্যাসিস্ট অবদান।
ম্যাচের শেষ দিকে ৮১ মিনিটে ক্রোয়েশিয়ার জার্সিতে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন ৪১ বছর বয়সী কিংবদন্তি লুকা মদরিচ। তবে তার উপস্থিতি দলটিকে বড় হার থেকে বাঁচাতে পারেনি। উল্টো ৮৯ মিনিটে বদলি খেলোয়াড়দের দুর্দান্ত সমন্বয়ে স্কোরলাইন ৪-১ করেন নিকো উইলিয়ামস। রদ্রি, পেদ্রি ও মিকেল মেরিনোর গড়া আক্রমণ থেকে বল পেয়ে ঠান্ডা মাথায় গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন তিনি।
টানা দুই জয়ে উয়েফা নেশনস লিগ অভিযান শুরু করা স্পেন তাদের পরবর্তী ম্যাচে আগামী ৩ অক্টোবর চেক প্রজাতন্ত্রের মুখোমুখি হবে। অন্যদিকে, একই দিনে ক্রোয়েশিয়ার প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড।

প্রথম দর্পণ,স্পোর্টস ডেক্স