২০২৮ সালে চালু হচ্ছে নতুন শিক্ষাক্রম: শিক্ষামন্ত্রী

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১৫ রাত
  • ১৭২৫ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg
দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর অংশ হিসেবে ২০২৮ সাল থেকে নতুন শিক্ষাক্রম চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে তৃতীয় ‘ঢাকা-চায়না ডে’ উদযাপন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ কথা জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘মাধ্যমিক শিক্ষায় আমরা পুরো শিক্ষাব্যবস্থা ঢেলে সাজাচ্ছি। কারিকুলাম পরিবর্তন করছি। ২০২৮ সাল থেকে নতুন কারিকুলাম চালু হবে।’

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অগ্রগতি পর্যালোচনায় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) আরও কঠোর হচ্ছে। বর্তমানে দেশে ১১৬টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাক্রেডিটেশনের জন্য শক্তিশালী বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল গঠন করা হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, শিক্ষার মানোন্নয়নে সম্প্রতি মালয়েশিয়ান কোয়ালিফিকেশন এজেন্সির সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে। এ ছাড়া মোনাশ ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে একটি ক্যাম্পাস স্থাপনের আগ্রহ প্রকাশ করেছে এবং তা বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেওয়া হবে।

শিক্ষায় বরাদ্দ বাড়ানোর পরিকল্পনা

এহছানুল হক মিলন বলেন, সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য আরও উন্নত পরিবেশ তৈরি করা হবে। শিক্ষাই জাতির সাফল্যের চাবিকাঠি এবং শিক্ষার উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের অগ্রগতি নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগে শিক্ষায় বরাদ্দ ছিল জিডিপির মাত্র ১ দশমিক ৩৯ শতাংশ। বর্তমানে বরাদ্দ বেড়েছে। প্রধানমন্ত্রী এই বরাদ্দ ভবিষ্যতে ৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ফলে বাজেট শিক্ষার উন্নয়নের ক্ষেত্রে বড় বাধা নয়।

তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাকে চীন বা পশ্চিমা দেশগুলোর মতো উন্নত করতে পারি এবং আমরা তা করে দেখাবো—এটিই আমাদের মিশন।’

সমাজ পরিবর্তনে শিক্ষার ভূমিকা

তরুণদের একটি অংশ পথভ্রষ্ট হচ্ছে উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শুধু রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, সমাজ পরিবর্তনের কর্মসূচি প্রয়োজন। প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত শিক্ষাখাতই সমাজ পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

দেশের প্রতি ভালোবাসা তৈরি এবং সমাজে নেতিবাচকতার ধারা বন্ধে শিক্ষার মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে প্রস্তুত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শামস্-উর রহমান, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

তথ্যসূত্র: জাগোনিউজ২৪, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad