২০২৬ সালের দুর্গাপূজায় মহানবমী উপলক্ষে আগামী ২০ অক্টোবর (মঙ্গলবার) নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি থাকবে। পরদিন ২১ অক্টোবর (বুধবার) বিজয়া দশমী উপলক্ষে রয়েছে সাধারণ ছুটি
তবে ২২ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) সরকারি অফিস-আদালতের স্বাভাবিক কার্যক্রম চলার কথা রয়েছে। দিনটি কেউ ব্যক্তিগত ছুটি হিসেবে নিতে পারলে ২০ অক্টোবর থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত টানা পাঁচ দিনের ছুটি উপভোগ করতে পারবেন। কারণ ২৩ ও ২৪ অক্টোবর যথাক্রমে শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন।
সরকারি ছুটির ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, ২০ অক্টোবর থেকেই দুর্গাপূজার ছুটি শুরু হবে। মহানবমীর দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি এবং পরদিন বিজয়া দশমীতে সাধারণ ছুটি থাকছে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ভিন্ন হতে পারে
সরকারি ছুটির এই হিসাব সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সরাসরি প্রযোজ্য নয়। স্কুল ও কলেজের পূজার ছুটি নির্ধারিত হবে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানসংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ঘোষিত একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুসরণ করে এসব প্রতিষ্ঠানে ছুটি কার্যকর হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য। প্রতিষ্ঠানভেদে একাডেমিক ক্যালেন্ডারে পূজার ছুটির সময় আলাদা হতে পারে।
ব্যাংক-আর্থিক প্রতিষ্ঠানও থাকবে বন্ধ
সরকারি ছুটির দিন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান সাধারণত বন্ধ থাকে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শাখা বা বিশেষ ব্যাংকিং সেবা চালু রাখা হতে পারে।
এদিকে এটিএম, কার্ডভিত্তিক লেনদেন ও অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মতো ডিজিটাল সেবাগুলো সাধারণত ছুটির দিনেও সচল থাকে।
জরুরি সেবায় ছুটি প্রযোজ্য নয়
সরকারি ছুটি থাকলেও হাসপাতাল, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি সরবরাহের মতো জরুরি সেবার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের দায়িত্ব পালন করতে হতে পারে। এছাড়া গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মীদেরও প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন অনুযায়ী ছুটির দিনে দায়িত্বে থাকতে হতে পারে।
তাই সরকারি ক্যালেন্ডারে দুর্গাপূজায় দুই দিনের ছুটি থাকলেও বাস্তবে সবার জন্য ছুটির সময়সূচি এক হবে না। কোনো কর্মী ২২ অক্টোবর ছুটি নিয়ে টানা পাঁচ দিনের বিরতি পাবেন কিনা, সেটি নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও চাকরির ছুটির নীতিমালার ওপর।

প্রথম দর্পণ,জাতীয় ডেস্ক