সরেজমিনে দেখা যায়, ব্রিজটির লোহার পাটাতনগুলোতে মরিচা ধরেছে। অনেক জায়গায় পাটাতন দেবে গেছে। কোথাও কোথাও বড় গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় স্থানীয়রা নিজেদের উদ্যোগে কাঠের তক্তা বসিয়ে যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা করেছেন। তবে এ অস্থায়ী ব্যবস্থা যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। বিশেষ করে রাতে ব্রিজটি পারাপারের সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা আরও বেড়ে যায়।
রায়পুর ইউনিয়নসহ আশপাশের কয়েকটি এলাকার মানুষের যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম এই ব্রিজ। আন্নর আলী সিকদার হাটে কৃষিপণ্য আনা-নেওয়া, শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে যাতায়াত এবং জরুরি রোগীদের হাসপাতালে নেওয়ার ক্ষেত্রে ব্রিজটির গুরুত্ব রয়েছে।
সরেঙ্গা, গহিরা ও ফকির হাট এলাকা থেকে পূর্ব বরৈয়া টিএমসি উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী এই ব্রিজ দিয়ে যাতায়াত করে। কিন্তু ব্রিজটির বর্তমান বেহাল অবস্থায় পণ্যবাহী ট্রাক, সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচলে প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে আনোয়ারা উপজেলা প্রকৌশলী জাহেদুল চৌধুরী বলেন, ‘ব্রিজটির বিষয়টি আমাদের নজরে রয়েছে। ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত সংস্কার অথবা নতুন ব্রিজ নির্মাণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

প্রথম দর্পণ অনলাইন,ডেক্স