মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশের যোগদান নিয়ে কে কী বলছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg ছবি: সংগৃহীত।
মক্কা জয়েন্ট ডিফেন্স অ্যাগ্রিমেন্ট বা ‘মক্কা চুক্তি’ নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে। চলতি বছরের ৭ আগস্ট সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান চুক্তিটি স্বাক্ষর করে। চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ নীতি হলো—তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এ কারণে চুক্তিটিকে ন্যাটোর আর্টিকেল ৫-এর সঙ্গে তুলনা করে কেউ কেউ ‘মুসলিম ন্যাটো’ বা ‘ইসলামিক ন্যাটো’ বলছেন।

এই চুক্তিতে বাংলাদেশের সম্ভাব্য যোগদান বা না দেওয়া নিয়েও বিভিন্ন দেশের পক্ষ থেকে প্রতিক্রিয়া এসেছে।

পাকিস্তানের অবস্থান

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাজ্জাদ হায়দার খান জানিয়েছেন, মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে আপাতত নতুন কোনো দেশকে, যেমন বাংলাদেশ, যুক্ত করার পরিকল্পনা নেই। জোটের মূল কমান্ড কাঠামো পুরোপুরি শক্তিশালী না হওয়া পর্যন্ত এটি তিন দেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে।

ইরানের আপত্তি নেই

তেহরান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের কূটনৈতিক সূত্র মনে করে, মক্কা চুক্তি বা এর আওতায় আঞ্চলিক সামরিক সমন্বয় তেহরানের সরাসরি স্বার্থের পরিপন্থী নয়। চুক্তির পরিধি কিংবা এতে বাংলাদেশের যোগদান বা না দেওয়া নিয়ে ইরানের কোনো আপত্তি বা উদ্বেগ নেই বলেও জানানো হয়েছে।

ভারতের কৌশলগত উদ্বেগ

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের এক বিশ্লেষণী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ভৌগোলিকভাবে ভারতের ‘চিকেনস নেক’ ও পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর কাছাকাছি। ফলে ঢাকা যদি পাকিস্তান-তুরস্ক-সৌদি বলয়ের এই সামরিক জোটে যোগ দেয়, তাহলে তা ভারতের জন্য দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত ও নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

বাংলাদেশের অবস্থান

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দেওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত জোটের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পায়নি। বাংলাদেশও এ বিষয়ে কোনো আলোচনা শুরু করেনি।

তবে অন্য এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেছিলেন, ভবিষ্যতে কৌশলগত স্বার্থ বিবেচনায় এমন কোনো জোটে বাংলাদেশের যুক্ত হওয়া অবাস্তব বা অস্বাভাবিক কিছু নয়।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
Sidebar Ad