শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর জাতীয় সংসদের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন চিফ হুইপ।
নুরুল ইসলাম মনি বলেন, আগের সরকার যে ঋণ রেখে গেছে, তার একটি বড় অংশ বর্তমান সরকারকে পরিশোধ করতে হচ্ছে। গত পাঁচ মাসে সেই ঋণ থেকে ২০৫ কোটি ডলার পরিশোধ করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, জনগণের কর ও রাজকোষের অর্থ কোনোভাবেই অপচয় করা যাবে না। এ কারণে কোনো মন্ত্রী বা সংসদ সদস্য সরকারি কাজে বাইরে গিয়ে ফিরে এসে শুধু ব্যয়ের পরিমাণ জানালেই হবে না; ব্যয়ের যথাযথ কাগজপত্র দিতে হবে। যাতে সরকারি অর্থের একটি টাকাও অপচয় না হয়, সে বিষয়ে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত ব্যয় কমানোর প্রসঙ্গে চিফ হুইপ বলেন, ‘‘সরকারের এক্সচেকার থেকে ১০ টাকা—তারেক রহমান সাহেব মনে করেন, কোনো অবস্থাতেই একটা টাকা নষ্ট হতে পারবে না। তার জন্য নিজে সাদা কাপড় পরেন, মোটা কাপড় পরেন।’’
প্রধানমন্ত্রীর সরকারি কার্যক্রমেও ব্যয় সংকোচনের বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। নুরুল ইসলাম মনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিমানবন্দরে যাতায়াত কমিয়ে দিয়েছেন। তাঁর জন্য আলাদা গাড়ি ও বড় লোকবহর নেই। তিনি নিজের অফিসেই খাবার খান।
আগের সরকারের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের খাবারের ব্যয়ের সঙ্গে বর্তমান ব্যয়ের তুলনা করে চিফ হুইপ বলেন, শেখ হাসিনার সময়ে এক বছরে খাবারের পেছনে ৩৫ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। বিপরীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের খাবারের বিল একজনের জন্য ১৫০ টাকা।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ১৫০ টাকা দিয়ে নিজের খাবারের বিল করা তার পক্ষে সম্ভব নয়—এমনকি বিরোধী নেতাও যা সম্ভব বলে মনে করেন। তবে প্রধানমন্ত্রী বাস্তবেই এভাবে ব্যয় কমানোর কাজ করছেন; শুধু দেখানোর জন্য নয়।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক