সম্প্রতি কোরিয়োগ্রাফার বস্কো মার্টিসের একটি পডকাস্টে অভিনেত্রী ও কোরিয়োগ্রাফার ফরাহ খান উপস্থিত হলে ক্যাটরিনার সেই পুরোনো দিনের কথা উঠে আসে। বস্কো জানান, কঠোর পরিশ্রম করেও ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে ওই কোরিয়োগ্রাফারের কাছ থেকে এমন মন্তব্য শুনতে হয়েছিল ক্যাটরিনাকে।
‘শীলা কী জওয়ানী’ বদলে দেয় ক্যারিয়ারপডকাস্টে ফরাহ খান জানান, ‘শীলা কী জওয়ানী’ ছিল তাঁর কোরিয়োগ্রাফ করা গানগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কম বাজেটে নির্মিত। মাত্র ১০ জন নৃত্যশিল্পী ও ক্যাটরিনাকে নিয়ে গানটির শুটিং করা হয়েছিল।
বস্কোর মতে, ‘শীলা কী জওয়ানী’ ক্যাটরিনার ক্যারিয়ারে বড় মোড় এনে দেয়। ফরাহ বলেন, ওই সময় তাঁরা জানতেন না যে ক্যাটরিনা ভালো নাচতে পারেন। ‘টাচ মি’ গানে তিনি নেচেছিলেন ঠিকই, কিন্তু তখনো নৃত্যশিল্পী হিসেবে তাঁর আলাদা পরিচিতি তৈরি হয়নি।
ফরাহ জানান, ক্যাটরিনার জন্য তাঁর কোরিয়োগ্রাফ করা প্রথম গান ছিল ‘জাস্ট চিল’।
অপমানই তৈরি করেছিল জেদক্যাটরিনাকে উদ্দেশ করে এক কোরিয়োগ্রাফারের বলা কথাগুলো স্মরণ করে বস্কো বলেন, প্রচণ্ড পরিশ্রম করার পরও তাঁকে শুনতে হয়েছিল—নাচে তিনি ‘শূন্য’ এবং তাঁর নাচ ছেড়ে দেওয়া উচিত।
বস্কোর ধারণা, ওই অপমানের যন্ত্রণা ক্যাটরিনার মধ্যেও ছিল। আর সেখান থেকেই তৈরি হয়েছিল তাঁর জেদ ও আরও ভালো করার তাগিদ।
ফরাহ খান বলেন, ক্যাটরিনাকে ‘শূন্য’ বলা ঠিক হয়নি। তাঁর মতে, তখন হয়তো ক্যাটরিনাকে চার বা পাঁচ নম্বর দেওয়া যেত। কিন্তু ‘শীলা কী জওয়ানী’র পর নাচের ক্ষেত্রে তাঁর দক্ষতা অনেক বেড়ে যায়। এরপর একে একে আসে ‘চিকনী চমেলী’, ‘কালা চশমা’র মতো জনপ্রিয় গান।
বস্কোও ফরাহর সঙ্গে একমত হন। তাঁদের মতে, ‘শীলা কী জওয়ানী’তে ক্যাটরিনার নাচ ছিল অসাধারণ।
আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছিলেন বস্কোএর আগে এক সাক্ষাৎকারে ক্যাটরিনা জানিয়েছিলেন, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে তাঁকে বলা হয়েছিল তিনি নাচতে পারেন না। ওই কোরিয়োগ্রাফারের মন্তব্য তাঁকে এতটাই প্রভাবিত করেছিল যে, একসময় তাঁর মনে হয়েছিল তিনি কোনো দিনই ভালো নৃত্যশিল্পী হতে পারবেন না।
পরে বস্কো তাঁকে বোঝান, তিনি ভালোই নাচেন; শুধু নিজেকে আরও কিছুটা প্রস্তুত করতে হবে। তাঁর সেই পরামর্শেই ক্যাটরিনার আত্মবিশ্বাস বাড়ে। উল্লেখ্য, ‘রেস’ ছবির ‘টাচ মি’ গানে ক্যাটরিনার সঙ্গে কাজ করেছিল

প্রথম দর্পণ,বিনোদন ডেক্স