ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে বক্তব্য দিতে গিয়ে আবারও আলোচনার জন্ম দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump। একটি বক্তব্যে ভুলবশত ইরানের পরিবর্তে জাপানকে "ইসলামিক রিপাবলিক" বলে উল্লেখ করেন তিনি। তার এই মন্তব্যের ভিডিও মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ইন্ডিপেনডেন্ট-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিমানবাহী রণতরীতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রসঙ্গ টেনে ট্রাম্প বলেন, "ইসলামিক রিপাবলিক অব জাপান আমাদের লক্ষ্য করে ১১১টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছিল। এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে তারা আমাদের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনে হামলা চালায়। তবে প্রতিটি ক্ষেপণাস্ত্রই ভূপাতিত করা হয়েছে।"
পর্যবেক্ষকদের মতে, ট্রাম্প মূলত ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান-এর কথা বলতে গিয়ে ভুল করে "ইসলামিক রিপাবলিক অব জাপান" বলে ফেলেন। কারণ জাপানের সরকারি নামের সঙ্গে "ইসলামিক রিপাবলিক" শব্দটির কোনো সম্পর্ক নেই। তার এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর ভিডিওটি দ্রুত অনলাইনে ভাইরাল হয় এবং বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়।
এদিকে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের সঙ্গে কার্যত যুদ্ধবিরতি শেষ হয়েছে এবং প্রয়োজন হলে যুক্তরাষ্ট্র আরও বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালাতে প্রস্তুত। তিনি বলেন, "আমরা এখনো সর্বোচ্চ মাত্রার হামলা চালাইনি। প্রয়োজন হলে তাদের সেতু, বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ধ্বংস করে দেওয়া হবে। আমি তা চাই না, কিন্তু প্রয়োজন হলে অবশ্যই করব।"
পারস্য উপসাগরে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র খারগ দ্বীপ নিয়েও কঠোর অবস্থানের কথা জানান ট্রাম্প। তার দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে দ্বীপটির একটি অংশে হামলা চালিয়েছে এবং প্রয়োজন হলে পুরো দ্বীপের নিয়ন্ত্রণও নিতে পারে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, এমন আগ্রাসী অবস্থান সাধারণত তিনি পছন্দ করেন না, তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে তা প্রয়োজন হতে পারে।

প্রথম দর্পণ,আন্তর্জাতিক ডেস্ক