বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার ২ নম্বর হাজিরহাট ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সামনে রেখে হাজিরহাট ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে একাধিক প্রার্থী প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন। তাঁদের মধ্যে উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি আবদুল খালেক সেলিম মোল্লা এবং উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমানের সমর্থকদের মধ্যে আগে থেকেই উত্তেজনা বিরাজ করছিল।
জিয়াউর রহমান অভিযোগ করেন, তাঁর সমর্থিত বিএনপির নেতাকর্মীরা নির্বাচনি পোস্টার লাগাতে গেলে সেলিম মোল্লার ছোট ভাইয়ের নেতৃত্বে তাঁদের বাধা দেওয়া হয়। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
অন্যদিকে আবদুল খালেক সেলিম মোল্লা জানান, ঘটনার সময় তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন না। পরে ফেসবুকের মাধ্যমে পোস্টার লাগানোকে কেন্দ্র করে হাতাহাতির বিষয়ে জানতে পারেন।
মনপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম বলেন, পোস্টার লাগানোকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, একজনের পোস্টার ছিঁড়ে অন্যজনের পোস্টার লাগানো আইনগত অপরাধ। এ কারণে বিরোধপূর্ণ স্থানে পোস্টার না লাগাতে উভয় পক্ষকে নিষেধ করা হয়েছে।
তথ্যসূত্র: আজকের পত্রিকা/যুগান্তর অনলাইন, ২৯ অক্টোবর ২০২৬।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক