নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা দুই ব্যক্তি হলেন প্রশাসন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত ঢাকার হাজারীবাগের সঞ্জয় দাস এবং পররাষ্ট্র ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত নেত্রকোনার খালিয়াজুরীর আবু সালেহ মো. মুসা। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম আদালতের আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জাল সনদ দিয়ে চাকরি নেওয়ার অভিযোগদুদকের সহকারী পরিচালক ও তদন্ত কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন তাঁদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে পৃথক আবেদন করেন। আবেদনে অভিযোগ করা হয়, সরকারি চাকরি পাওয়ার উদ্দেশ্যে তাঁরা অসৎ উপায়ে আর্থিকভাবে লাভবান হতে ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে সনদ তৈরি করেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, ওই সনদ প্রকৃত ও বৈধ দলিল হিসেবে ব্যবহার করে নিজেদের যোগ্য প্রার্থী হিসেবে উপস্থাপন করেন তাঁরা। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনকে (পিএসসি) বিভ্রান্ত করে ৩৮তম বিসিএসে প্রশাসন ও পররাষ্ট্র ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হন।
দুদকের আবেদনে আরও বলা হয়, পরবর্তী সময়ে চাকরিতে যোগ দিয়ে বেতন-ভাতা উত্তোলনের মাধ্যমে তাঁরা সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলা বর্তমানে তদন্তাধীন।
তদন্তের স্বার্থে নিষেধাজ্ঞাআবেদনে উল্লেখ করা হয়, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দেশত্যাগ করে অন্যত্র পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন বলে বিশ্বস্ত সূত্রে তথ্য পাওয়া গেছে। মামলার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করতে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের বিদেশযাত্রা বন্ধ রাখা প্রয়োজন।
দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তাঁদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেন। অভিযোগগুলোর বিষয়ে তদন্ত চলছে; আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগে তাঁদের দোষী হিসেবে গণ্য করার সুযোগ নেই।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক