শাড়ি নিয়ে বিরোধে নতুন মোড়, তানজিন তিশার ফোনালাপ প্রকাশ

  • প্রথম দর্পণ,বিনোদন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১১ দুপুর
  • ৩৯৯৮ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg তানজিন তিশা
৭৫ হাজার টাকার শাড়ি নিয়ে মামলা, বাদী সানায়া চৌধুরীর সঙ্গে কথোপকথন ঘিরে আলোচনা

শাড়ি নিয়ে বিরোধের জেরে আবারও আলোচনায় এসেছেন অভিনেত্রী তানজিন তিশা। ৭৫ হাজার টাকা দামের একটি শাড়ি নিয়ে করা মামলার পর মামলা প্রত্যাহারে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে নতুন মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছে । এর মধ্যে মামলার বাদী সানায়া চৌধুরীর সঙ্গে তিশার একটি ফোনালাপ প্রকাশিত হয়েছে। কথোপকথনটি ঘিরে বিনোদন অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) প্রকাশিত যুগান্তরের প্রতিবেদনে ফোনালাপের কথিত কথোপকথন তুলে ধরা হয়। এতে শাড়িটি ফেরত দেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথাবার্তা এবং এ নিয়ে তিশার অসন্তোষ প্রকাশ পেতে দেখা যায়।

শাড়ি ফেরত দেওয়া নিয়ে কথোপকথন

প্রকাশিত কথোপকথনে সানায়া চৌধুরী একটি সাদা শাড়ির কথা উল্লেখ করেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, শাড়িটি তানজিন তিশা আগের বছর চট্টগ্রামে পরার জন্য নিয়েছিলেন, কিন্তু ফেরত দেননি। তিশা প্রথমে শাড়িটির কথা মনে করতে না পারার কথা বলেন এবং বাসায় খুঁজে দেখবেন বলে জানান।

কথোপকথনের একপর্যায়ে তিশা বলেন, শাড়িটি তাঁর কাছে থাকলে খুঁজে দেখবেন। সানায়াও তাঁকে সুবিধাজনক সময়ে খোঁজ নিয়ে জানাতে বলেন।

কথোপকথনে উত্তেজনা

ফোনালাপের পরের অংশে শাড়ি নিয়ে যোগাযোগের কারণ সম্পর্কে তিশা প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, শাড়ির মামলা হওয়ার পরই সানায়া তাঁকে এ বিষয়ে যোগাযোগ করেছেন। কথোপকথনে তিশাকে সানায়ার উদ্দেশে ক্ষোভ প্রকাশ করতে এবং মামলা করার কথা বলতে শোনা যায়।

অন্যদিকে, সানায়া বলেন, শাড়িটি ফেরত না পাওয়ার বিষয়েই তিনি কথা বলছেন। তিনি আরও দাবি করেন, আগেও একাধিকবার শাড়িটি নিয়ে যোগাযোগ করেছেন এবং এ বিষয়ে অন্যদেরও জানিয়েছেন।

প্রকাশিত কথোপকথনের শেষাংশে তিশাকে সানায়ার উদ্দেশে হুমকিসূচক বক্তব্য দিতে শোনা যায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগ ও মামলার বিষয়ে সতর্কতা

শাড়ি নিয়ে বিরোধ এবং মামলা-সংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে প্রকাশিত তথ্যগুলো সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য ও সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এসেছে। ফোনালাপটির পূর্ণাঙ্গ প্রেক্ষাপট, রেকর্ডের সত্যতা এবং অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বিস্তারিত বক্তব্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা না গেলে সেগুলোকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে ধরে নেওয়া উচিত নয়।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad