মামলার এজাহার অনুযায়ী, শিশুটির বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। ওই মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। পরে বৃহস্পতিবার বিকালে আদালতে শিশুটির জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।
মাদ্রাসার সিঁড়িতে নিপীড়নের অভিযোগপরিবারের অভিযোগ, গত ১৯ অক্টোবর টঙ্গীর ওই মাদ্রাসার নিচতলার সিঁড়িতে শিশুটিকে যৌন নিপীড়ন করা হয়। ঘটনার পর শিশুটি মাদ্রাসায় যেতে চাইছিল না। পরিবারের সদস্যরা এর কারণ জানতে চাইলে প্রথমে সে কিছু জানায়নি। পরে মা-বাবার জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার কথা প্রকাশ করে।
এরপর ২১ অক্টোবর দুপুরে শিশুটির স্বজনেরা মাদ্রাসায় গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকের কাছে বিষয়টি জানতে চান। একপর্যায়ে ঘটনা জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজনও সেখানে জড়ো হন। এ সময় শিক্ষককে মারধর করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
পরে শিশুটির বাবা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। মামলাটির পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্ত শিক্ষককে আদালতে হাজির করা হলে রোববার তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে আলোচনাঅভিযুক্ত শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদ ও মারধরের ঘটনার কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। এসব ভিডিও ঘিরে দেশজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক