মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব অভিযোগ করেন রাশেদ খান। পোস্টে তিনি সারজিস আলমের অতীত রাজনৈতিক অবস্থান ও আন্দোলন-সংগ্রামে তাঁর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
ছাত্রলীগের পদ নিয়ে কটাক্ষফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান দাবি করেন, ছাত্রলীগের একটি পদ পাওয়ার জন্য সারজিস আলম তৎকালীন ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম হোসেন ও শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানের ঘনিষ্ঠতা অর্জনের চেষ্টা করতেন। এ প্রসঙ্গে তিনি সারজিসের বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে কটাক্ষ করেন।
রাশেদ খানের অভিযোগ, অতীতে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সঙ্গে সারজিসের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও বর্তমানে তিনি তাঁদের আন্দোলন-সংগ্রাম নিয়ে সমালোচনা করছেন।
২০১৮ সালের আন্দোলন নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন এবং পরবর্তী সময়ে শেখ হাসিনাবিরোধী আন্দোলনে নিজেদের ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন রাশেদ খান। তিনি দাবি করেন, ওই সময় তাঁরা বিভিন্ন ক্যাম্পাসে হামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। অথচ তখন সারজিস আলমের রাজনৈতিক অবস্থান ভিন্ন ছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।
পোস্টে রাশেদ খান ২০১৮ সালের আন্দোলন নিয়ে সারজিসের সমালোচনার জবাব দেন। তাঁর বক্তব্য, ওই সময়ের আন্দোলন ও পরবর্তী শেখ হাসিনাবিরোধী লড়াইয়ের প্রেক্ষাপট বিবেচনা না করে তাঁদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ভূমিকা নিয়েও প্রশ্নজুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সারজিস আলমের ভূমিকা নিয়েও অভিযোগ তোলেন রাশেদ খান। তাঁর দাবি, আন্দোলনের সময় সারজিসের ওপর অন্যদের মতো নির্যাতনের চিহ্ন দেখা যায়নি এবং ডিবি হেফাজতে থাকা অবস্থায় তাঁর আচরণ নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
এ ছাড়া গণঅভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগের মন্ত্রীদের সঙ্গে সারজিসের বৈঠক এবং নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদকে তুলে নেওয়া বা ডিবি হেফাজতে রাখার সময় সারজিস আলম ও হাসনাত আবদুল্লাহর চলাফেরা নিয়েও অভিযোগ করেন তিনি।
তবে ফেসবুক পোস্টে উত্থাপিত এসব অভিযোগের পক্ষে কোনো নথি বা স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য প্রমাণ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। সারজিস আলমের পক্ষ থেকে এসব অভিযোগের জবাবও সরবরাহ করা মূল প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।
তথ্যসূত্র: দৈনিক যুগান্তর, ‘ছাত্রলীগের পদের জন্য প্রতিদিন সাদ্দাম-ইনানের পা চাটত সারজিস: রাশেদ’, প্রকাশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক