বৈদেশিক ঋণের অর্থ রাখতে এফসি হিসাব খোলার সুযোগ

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৯ বিকাল
  • ১৯৬৭ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://www.prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg ছবি: সংগৃহীত
মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি বৈদেশিক ঋণের অর্থ বৈদেশিক মুদ্রায় সংরক্ষণের জন্য যোগ্য বেসরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের নামে ফরেন কারেন্সি (এফসি) হিসাব খোলা ও পরিচালনার সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বুধবার এ বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। নতুন ব্যবস্থায় অনুমোদিত বৈদেশিক ঋণের অর্থ নির্ধারিত শর্তে এফসি হিসাবে সংরক্ষণ ও ব্যবহার করতে পারবেন যোগ্য ঋণগ্রহীতারা।

যেভাবে খোলা যাবে হিসাব

বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলারে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়ে বেসরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি বৈদেশিক অর্থায়ন গ্রহণ করতে পারবে। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুযায়ী ইনভেস্ট বাংলাদেশ অথরিটি (আইবিএ)-এর ফরেন লোন/সাপ্লায়ার্স ক্রেডিট-সংক্রান্ত স্ক্রুটিনি কমিটি, বাংলাদেশ ব্যাংক অথবা স্ট্যান্ডিং কমিটি অন নন-কনসেশনাল লোনের অনুমোদন প্রযোজ্য হবে।

অনুমোদিত বৈদেশিক ঋণের অর্থ বৈদেশিক মুদ্রায় সংরক্ষণ এবং ঋণ অনুমোদন ও বিদেশি ঋণদাতার সঙ্গে করা চুক্তির শর্ত অনুযায়ী ব্যবহারের জন্য সংশ্লিষ্ট অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংক যোগ্য ঋণগ্রহীতার নামে এফসি হিসাব খুলতে পারবে।

আমদানি ও সেবা মূল্য পরিশোধে ব্যবহার

এফসি হিসাবে রাখা বৈদেশিক মুদ্রা প্রচলিত আমদানি নীতি আদেশ এবং বৈদেশিক মুদ্রা-সংক্রান্ত বিধিবিধান অনুসরণ করে আমদানি মূল্য পরিশোধে ব্যবহার করা যাবে।

এ ছাড়া অনুমোদিত বৈদেশিক ঋণের আওতায় বাস্তবায়নাধীন প্রকল্প বা কাজের জন্য প্রয়োজনীয় প্রকৃত সেবার মূল্য পরিশোধেও এসব অর্থ ব্যবহার করা যাবে।

অনুমোদিত স্থানীয় ক্রয় বা সংগ্রয়ের ক্ষেত্রে এফসি হিসাবে থাকা বৈদেশিক মুদ্রা টাকায় রূপান্তরের সুযোগ থাকবে। একই সঙ্গে ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের আওতায় প্রযোজ্য শর্ত পূরণ সাপেক্ষে এসব হিসাবের স্থিতির ওপর সুদ বা মুনাফা অর্জনের সুযোগ রাখা হয়েছে।

তিন কিস্তির বেশি অর্থ রাখা যাবে না

বৈদেশিক ঋণের কিস্তি পরিশোধের জন্যও এফসি হিসাবে বৈদেশিক মুদ্রা সংরক্ষণ করা যাবে। ঋণচুক্তিতে কিস্তি পরিশোধের জন্য অর্থ সংরক্ষণের শর্ত থাকলে ঋণের মেয়াদ পর্যন্ত এফসি হিসাব চালু রাখা যাবে।

তবে এ ক্ষেত্রে পরবর্তী তিনটি কিস্তি পরিশোধের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের বেশি বৈদেশিক মুদ্রা হিসাবে রাখা যাবে না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনার ফলে অনুমোদিত বৈদেশিক ঋণের অর্থ ব্যবস্থাপনায় যোগ্য বেসরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো আরও নমনীয়তা পাবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংকের জারি করা সার্কুলার।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad