মঙ্গলবার অধিদপ্তরের ৫১টি দল একযোগে পাইকারি ও খুচরা বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় নিত্যপণ্যের মূল্য ও সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যালোচনার পাশাপাশি ভোক্তা-অধিকারবিরোধী বিভিন্ন অনিয়মের বিষয়ে তদারকি করা হয়।
যেসব অনিয়ম খতিয়ে দেখা হয়অভিযানে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হালনাগাদ মূল্যতালিকা যথাযথভাবে প্রদর্শন করা হচ্ছে কি না এবং নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে পণ্য বিক্রি হচ্ছে কি না, তা যাচাই করা হয়। একই সঙ্গে ওজন ও পরিমাপে কারচুপি, মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ও ওষুধ বিক্রি এবং নকল-ভেজাল পণ্য উৎপাদন ও বিপণনের বিষয়ও পরীক্ষা করা হয়।
তদারকির সময় ব্যবসায়ীদের দৃশ্যমান স্থানে সঠিক ও হালনাগাদ মূল্যতালিকা প্রদর্শন এবং নির্ধারিত মূল্যে পণ্য বিক্রির নির্দেশ দেওয়া হয়। সঠিক ওজন-পরিমাপ নিশ্চিত করা, নকল, ভেজাল ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি বন্ধ এবং মজুতদারি বা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি না করার বিষয়ে সতর্ক করা হয়।
এ ছাড়া পণ্য কেনাবেচার রসিদ বা ভাউচার সংরক্ষণ এবং ক্রেতাকে তা দেওয়ার জন্য ব্যবসায়ীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ভোক্তাদের সতর্ক থাকার পরামর্শঅভিযানের সময় ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে লিফলেট ও প্রচারপত্র বিতরণ করা হয়। অধিদপ্তরের অভিযানে সংশ্লিষ্ট জেলা ও বিভাগের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, স্বাস্থ্য পরিদর্শক, কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এবং শিল্প ও বণিক সমিতির প্রতিনিধিরা সহযোগিতা করেন।
ভোক্তাদের প্রয়োজনের অতিরিক্ত পণ্য না কেনার পরামর্শ দিয়েছে অধিদপ্তর। পণ্য কেনার আগে মূল্যতালিকা, সর্বোচ্চ খুচরা বিক্রয়মূল্য এবং উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ যাচাই করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি সঠিক ওজন ও পরিমাপ নিশ্চিত করে বিক্রেতার কাছ থেকে ক্রয়ের রসিদ নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
পণ্য কেনার ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম বা প্রতারণার শিকার হলে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের হটলাইন ১৬১২১-এ অভিযোগ জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।
বাজারে শৃঙ্খলা, ন্যায্যমূল্য ও ভোক্তা-অধিকার নিশ্চিত করতে এ ধরনের তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর।
তথ্যসূত্র: জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।তিক রিপোর্টার

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক